নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে টানা দু’দশক পার করে ফেললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিজেপির শিকড় শক্ত করার আসল কারিগরও যে তিনিই। তাঁকে সামনে রেখেই ফের কেন্দ্রে আসে বিজেপি। তাঁর ব্রান্ড মোদী ইমেজই তাঁকে আলাদা করেছে। বিশ্বজোড়া ভক্ত সংখ্যা। একইসঙ্গে নিন্দুকের সংখ্যাও কম কিছু নয়। চলুন দেখে নেয়া যাক তার রাজনৈতিক জীবনের পথ চলা।
২০০১ সালের ৭ই অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী (Narendra Damodar Das Modi)। সেই সময় গুজরাটের দলে প্রচুর দলাদলি। মুখ্যমন্ত্রীর আসনে বসার পরই প্রচন্ড ভূমিকম্পে ভেঙে চুরমার হয়ে যায় ভূজ। তার পরের বছরই গুজরাট হিংসা। একা হাতে সামাল দেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।
গুজরাটের টানা তিনবার মুখ্যমন্ত্রী (chief minister) থাকার সময়ে উক্ত রাজ্যের উন্নয়নকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সমর্থ হন যে দেশে আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে ওঠে ‘গুজরাট মডেল’ (Gujrat Model)। ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের সময়েও বিজেপির নির্বাচনী প্রচারের হাতিয়ার ছিল এই নরেন্দ্র মোদীর গুজরাট মডেলই। গোটা দেশকে এই মডেলের অনুকরণে সাজানোর স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
২০১৪র পর ফের ২০১৯ সালে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী হন সেই নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদীই। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অভিমত, নিজেকে, নিজের ভাবনা চিন্তাকে সবসময় চ্যালেঞ্জ করেছেন মোদী, ঝুঁকি নিয়েছেন প্রচুর। নোট বাতিল, জম্মু-কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা কিংবা ৩৭০ ধারা রদ অথবা তিন তালাক বাতিলের মতো পদক্ষেপ তাঁকে বিতর্ক, সমালোচনার মুখে ফেললেও জনপ্রিয়তায় ভাটা ফেলেনি। তবে নরেন্দ্র মোদী মুখ্যমন্ত্রী কিংবা প্রধানমন্ত্রী-যে পদেই থাকুন না কেনও বিতর্ক বরাবরই তাঁর সঙ্গী হয়েছে।





