কংগ্রেস ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী প্রথমদিন থেকেই কৃষি আইনের বিরোধিতা করে আসছে। কৃষকদের আন্দোলনকে সমর্থন করা থেকে শুরু করে প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন লালকেল্লায় হামলাকারীদের নিন্দনীয় ঘটনা, সবকিছুকেই সমর্থন করে আসছে কংগ্রেস। এবার তাদের মিথ্যেও ধরা পড়ল সকলের সামনে।
গত রবিবার কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী একটি টুইট করে লেখেন, “ভারতীয় এক জওয়ান ছুটি পাওয়ার পরই দিল্লিতে গিয়ে বাবার সঙ্গে দেখা করলেন। তাঁর বাবা দীর্ঘ ৭৫ দিন ধরে কৃষি আইনের বিরুদ্ধে লড়ছেন”। তিনি এও লেখেন, “এই সরকারের এত বড় সাহস কী করে হয় এদের জঙ্গি, বিশ্বাসঘাতক বলার? সরকারের লজ্জা হওয়া উচিত”। এই পোস্টের সঙ্গে এক বয়স্ক ব্যক্তির ছবি দেন যিনি দু’হাত দিয়ে সেনার পোশাক পরা এক জওয়ানের গালে হাট দিয়ে আছেন।
এরপরই এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তৎপরতায় জানা যায় যে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী নিজের টুইটের মাধ্যমে সকলকে ভুল পথে চালনা করছেন। যে ছবি প্রিয়াঙ্কা পোস্ট করেন সেই ছবি-সহ একটি খবর তুলে ধরে বলা হয় যে এই ছবিটি একেবারেই দিল্লিতে তোলা নয়। ছবিটি আসলে লুধিয়ানার। তবে ছবির মধ্যে থাকা ব্যক্তিদের সম্বন্ধে জানা সম্ভব হয়নি। এরপরই প্রিয়াঙ্কা টুইটটি মুছে দেন।
এই খবরটি ও প্রিয়াঙ্কার টুইটটি পাশাপাশি রেখে ‘পলিটিকাল কীড়া’ নামের একটি ওয়েব পোর্টাল একটি টুইট করে। কিন্তু এই সময় কংগ্রেস নেতা বিনীত পুনিয়া ‘পলিটিকাল কীড়া’-র দিকে আঙুল তুলে বলেন যে এই পোর্টাল মিথ্যে বলছে ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এই ধরণেন কোনও টুইট করেননি। এতপর পলিটিকাল কীড়ার পক্ষ থেকে অন্য একটি টুইট করা হয় ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর শেয়ার করা টুইটের আর্কাইভ লিঙ্ক পোস্ট করে প্রমাণ দেয় যে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এই পোস্ট করেছিলেন।
আবার অন্যদিকে, কংগ্রেসের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেল থেকে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর করা সেই একই পোস্ট টুইট করা হয়েছিল। কিন্তু, অসাবধানতাবশত সেই টুইটটি কংগ্রেস মুছে দিতে ভুলে যায়।





