কিছুদিন আগেই নোটবন্দির পাঁচ বছর পূর্ণ হয়েছে। কিন্তু সেই সময় ওঠা নতুন ২০০০ টাকার নোটের পরিমাণ ক্রমেই কমেছে। তা এখন আরব সেরকম দেখতে পাওয়া যায় না বললেই চলে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের তরফে আগেই জানানো হয়েছে গত দু’বছরে ২০০০ টাকার নোট নতুন করে ছাপানো হচ্ছে না। আর এখন জানা গেল, ২০০০ টাকার নোট তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
গত কয়েক বছরে দেখা গিয়েছে জাল নোটের পরিমাণ অত্যধিক বেড়েছে। আর এর বেশিরভাগই ২০০০ টাকার নোট। ২০১৬ সালের ৮ই নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নোটবাতিলের কথা ঘোষণা করে দানি করেছিলেন যে এর ফলে দেশ থেকে কালো টাকা ও জাল নোটের সমস্যা কমবে। কিন্তু পাঁচ বছর পর দেখা যাচ্ছে, জাল নোটের পরিমাণ কমা তো দূর, তা আরও বেড়ে গিয়েছে।
প্রতি বছর একটু একটু করে বাড়লেও ২০২০ সালে উদ্ধার হওয়া জাল নোটের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯০ শতাংশে। ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের এক সমীক্ষ অনুযায়ী, প্রতি বছর ৭০ কোটি টাকা মূল্যের জাল নোট বাজারে ঢুকছে।
অন্যদিকে, জাতীয় অপরাধ পরিসংখ্যান ব্যুরোর রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২০ সালে ৯২.১৭ কোটা টাকা মূল্যের জাল নোট উদ্ধার হয়েছে। এই পরিমাণটা ২০১৯ সালে ছিল ২৫.৩৯ কোটি। এর আগের দু’বছর ২০১৮ ও ২০১৭ সালে ছিল যথাক্রমে ১৭.৯৫ এবং ২৮.১০ কোটি। আর নোটবাতিলের বছর ২০১৬ সালে ছিল ১৫.৯২ কোটি। এর বেশিটাই দু’হাজার টাকার নোট বলেও দাবী করা হয়েছে।
২০১৬ সালে তৎকালীন ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল হওয়ার পর নতুন ২০০০ টাকার নোট চালু হয়। সরকার দাবী করেছিল যে এই গোলাপি নোট জাল করা মুশকিল। কিন্তু জাতীয় অপরাধ পরিসংখ্যান ব্যুরোর দাবী, গত কয়েক বছরে যে পরিমাণ জাল নোট ধরা পড়েছে, তার মধ্যে দু’হাজার টাকার জাল নোটের সংখ্যাই বেশি। এই কারণ নতুন করে ওই নোট বাজারে ছাড়ার পরিবর্তে তা তুলে নেওয়ার চেষ্টাই চলছে।





