২০১৮ সালে ইন্টেরিয়ার ডিজাইনার অন্বয় নায়েক (Anvay Nayek) আর তাঁর মা কুমুদ নায়েকের (Kumud Nayek) আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে রিপাবলিক মিডিয়া নেটওয়ার্কের (republic media network) এডিটর-ইন-চিফ এবং ডিরেক্টর অর্ণব গোস্বামীকে (Arnab Goswami)। অভিযোগ উঠেছে, অর্ণবের থেকে প্রায় ৮৪ লক্ষ টাকা পেতেন অন্বয়, যেটা অর্ণব মেটায়নি। ওই দু’জনের আত্মহত্যার অন্যতম মূল কারণ এটাই ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। প্রায় ধামাচাপা পড়ে যাওয়া দু’বছর পুরনো একটি কেসকে রি-ওপেন করিয়ে অর্ণব গোস্বামীকে গ্রেফতার করে মুম্বাই পুলিশ।
আর ভারতের এহেন বিতর্কিত এবং পরিচিত সাংবাদিক গ্রেফতারের ঘটনায় রীতিমতো ক্ষোভে ফুঁসছে পদ্ম শিবির। বঙ্গ বিজেপি থেকে কেন্দ্র সবার কথাতেই ঝরে পড়ছে ক্ষোভ। অর্ণব গোস্বমী কাণ্ডে এবার মুম্বই পুলিশের চরম সমালোচনা করলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (home minister Amit Shah)। এই ঘটনা প্রসঙ্গে নিজের বক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন; “কংগ্রেস এবং তাদের সঙ্গীরা; আরও একবার গণ’তন্ত্রকে চরম লজ্জায় ফেলল”।
তিনি আরও যোগ করেন, “অর্ণব গোস্বামীর উপর আক্রমণ; ব্যক্তি স্বাধীনতা এবং সংবিধানের চতুর্থ স্তম্ভের উপর হামলা। এটা আমাকে জরুরি অবস্থার কথা মনে করাচ্ছে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের; বিরোধিতা করা হবে। আমরা এর তীব্র নিন্দা করছি”। অমিত শাহের মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যেই; ভাইরাল হয়ে যায়। তবে বিজেপির পক্ষ থেকে শুধু অমিত শাহ্ই ষ্ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন; কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি; প্রকাশ জাভড়েকর; বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর; মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিসের মত; আরও অনেকেই।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani) বলেন; “যারা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বলেন; আবার অর্ণবের গ্রে’ফতারি নিয়ে নীরব; তাঁরা আসলে অবদমনকে সমর্থন করছেন। হতেই পারে ওকে আপনাদের পছন্দ নয়; হতেই পারে ও আপনার চ’ক্ষুশূল। কিন্তু এখন যদি আপনি মুখ না খোলেন; তাহলে আপনি ফ্যা’সিবা’দকে সমর্থন করছেন। এরপর যদি আপনার সঙ্গে এমন হয়, তাহলে কী হবে”।
এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বলিউডের বিতর্কিত নায়িকা তথা অন্যতম বিজেপি সমর্থক কঙ্গনা রানাওয়াতও (Kangana Ranaut)। মহারাষ্ট্র প্রশাসনের সমালোচনা করে উদ্ধব প্রশাসনকে “পাপ্পু সেনা” বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি।





