নৈস্বর্গিক নিস্তব্ধতা ভেদ করে ভূস্বর্গে চলল আবারও গুলির লড়াই

করোনার মধ্যেও দুদন্ড শান্তি পেলো না ভূস্বর্গ। নৈস্বর্গিক নিস্তব্ধতা ভেদ করে চলল গুলির লড়াই। করোনার মধ্যে বারংবার দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়েছে কাশ্মীর। আবারও একবার অশান্ত হলো উপত্যকা। সারাদেশ যখন করোনাকে হারাতে ব্যস্ত তখন সীমান্তে জঙ্গি বাহিনীর মোকাবিলা করছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র এই মুহূর্তেও ভারতকে জব্দ করার একটা সুযোগও ছাড়তে চায় না। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে পাকিস্তান সরকার তার সরকারি রিপোর্ট থেকে ৩,৮০০ টি জঙ্গির নাম মুঝে ফেলেছিল। এবার শনিবারও জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার দাঙ্গেপোড়া এলাকায় জঙ্গিদের সঙ্গে চলে গুলির লড়াই।

সেনাবাহিনী আশঙ্কা করছে ওই এলাকায় এখনও ২ থেকে ৩জন জঙ্গি লুকিয়ে আছে। কিন্তু এখনও কোনও জঙ্গি ধরা পড়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে অপারেশন জারি রয়েছে।

লকডাউনের মধ্যে কাশ্মীরে একদিকে যেমন ভারতীয় সেনাকে কড়া হাতে জঙ্গি দমন করতে হচ্ছে। তেমনই একই ভাবে পাকিস্তানি সেনার সঙ্গেও যুঝতে হচ্ছে প্রতিপদে। শুক্রবারও জম্মু কাশ্মীরের বারমুল্লা জেলায় দুপুর ৩ টে ৩০ নাগাদ গুলি চালায় পাক বাহিনী। এই ঘটনায় জখম হন তিন ভারতীয় জওয়ান। এর মধ্যে শনিবার সকালে ২ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে।

চলতি সপ্তাহেই সোপিয়ানে সারা রাত ধরে গুলির লড়াই চলে জঙ্গি ও ভারতীয় সেনাদের মধ্যে। সেখানে মারা যায় দুই জঙ্গি। এরপর সোপিয়ানের মেলহুরা এলাকায় ৩জন জঙ্গির লুকিয়ে থাকার খবর পেয়ে তল্লাশি চালায় সেনা। এরমধ্যে আচমকাই গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। এর পালটা জবাব দেয় সেনাও। রাতভোর লড়াইয়ের পর দুই জঙ্গির দেহ উদ্ধার করে ভারতীয় সেনা। সেনার ৫৫ নম্বর রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, সোপিয়ান পুলিশ ও সিআরপিএফের যৌথ উদ্যোগে চলে এই অভিযান।

২৭ এপ্রিলও জঙ্গিদের সঙ্গে গুলি বিনিময় হয় ভারতীয় সেনার। জম্মু কাশ্মীরের কুলগামের গুড্ডার এলাকায় সেনা বাহিনীর সঙ্গে এনকাউন্টারে মারা যায় চার জঙ্গি। সিআরপিএফ ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে এই এনকাউন্টার হয়। তার আগে পুলওয়ামা জেলার অবন্তীপোরার গোরিপোরা এলাকায় বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের এনকাউন্টার শুরু হয়। সেনার গুলিতে খতম হয় মোট ২ জন জঙ্গি। সেখানেও সেনা ও জম্মু কাশ্মীর পুলিশ একযোগে এই অপারেশনে নেমেছিল।

RELATED Articles

Leave a Comment