ধর্নায় বসা আট সাংসদের জন্য নিজে হাতে চা নিয়ে গেলেন রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ! প্রশংসা মোদীর!

তাঁকে লক্ষ্য করেই হয়েছে আক্রমণ। আর সেই কারণেই বহিষ্কার হতে হয়েছে ডেরেক ও’ব্রায়েন (Derek O’Brien), দোলা সেন (Dola Sen) সহ আট সাংসদকে। কৃষি বিলের বিরোধিতায় রুল বুক ছুঁড়ে, মাইক কেড়ে নিয়ে আক্রমণ করা হয় তাঁকে। এরপর‌ই রাজ্যসভার থেকে বহিস্কৃত করা হয় তাঁদের। সোমবার থেকে ধর্নায় বসেছেন অভিযুক্ত আট সাংসদ।

আর আজ সৌজন্যতা দেখিয়ে সকালে আক্রান্ত রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ নারায়ণ (Harivansh Narayan) সিং তাদের জন্য চা নিয়ে যান। আর হরিবংশের এহেন ব্যবহারের পরই মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। প্রশংসায় ভরিয়ে বিধানসভা ভোটের (Assembly Election) আগে বিহার আবেগও উসকে দিলেন বটে।

https://twitter.com/narendramodi/status/1308249269925683200?s=20

হরিবংশ যে আদতে বিহারের সাংসদ, তা টুইটের শুরুতেই মনে করিয়ে দিতে ভোলেননি মোদী। একইসঙ্গে বছর শেষে এনডিএ জোটের ভাগ্য নির্ধারণ করতে চলা বিহার যে শিক্ষা দিচ্ছে, তার প্রশংসা করতে কোনও কসুর ছাড়েননি। পরে আসে হরিবংশের প্রশংসা। মোদী বলেন, ‘শতকের পর শতক ধরে বিহারের পবিত্র ভূমি আমাদের গণতন্ত্রের মূল্যবোধ শেখাচ্ছে। সেই দুর্দান্ত পথে হেঁটেই আজ সকালে বিহারের সাংসদ ও রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান শ্রী হরিবংশজির অনুপ্রেরণামূলক ও রাষ্ট্রনেতার মতো আচরণে গর্ববোধ করবেন প্রত্যেক গণতন্ত্রপ্রেমী।’

দ্বিতীয় টুইটে অবশ্য বিহার নিয়ে কোনও শব্দ খরচ করেননি মোদী। বরং বলেন, ‘কয়েকদিন আগেই তাঁর উপর যাঁরা হামলা চালিয়েছেন, তাঁকে অপমান করেছিলেন, তাঁদের ব্যক্তিগতভাবে চা দিয়ে এবং তাঁদের সঙ্গে ধরনায় বসে হরিবংশজি দেখালেন যে তিনি কতটা নম্র এবং তাঁর হৃদয় কতটা বড়। এটা তাঁর মহত্বের পরিচয়। ভারতের মানুষের সঙ্গে তাঁকে হরিবংশজিকে অভিনন্দন জানাচ্ছি আমি।’

গতকাল অর্থাৎ সোমবার থেকে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে ধরনায় বসেছেন রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড হওয়া আট সাংসদ। মঙ্গলবার সকালে কিছুটা অবাক করেই আট সাংসদের সঙ্গে দেখা করতে যান রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান। যাঁর সিদ্ধান্ত নিয়েই রবিবার সংসদের উচ্চকক্ষে তুলকালাম বেঁধেছিল। আট সাংসদের জন্য চা নিয়ে যান। আর সেই জন্যই টুইটারে হরিবংশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন মোদী।

RELATED Articles

Leave a Comment