Supreme Court Agreed with Distinguish Quota Among SC ST: বদলে যেতে চলেছে দেশের সংরক্ষণ ব্যবস্থা। কারণ এবার তফশিলি জাতি-উপজাতির সংরক্ষণ নিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। এবার থেকে তফশিলি জাতি-উপজাতির মধ্যেও হবে শ্রেণীবিন্যাস (Supreme Court Agreed with Distinguish Quota Among SC ST)। আর সেই ভিত্তিতেই এবার সাজানো হবে সংরক্ষণ ব্যবস্থা। আজ, বৃহস্পতিবার তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের মধ্যেও সংরক্ষণের জনু আলাদা শ্রেণীবিন্যাসের জন্য সায় দিল শীর্ষ আদালত।
২০০৪ সালে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ এই তফশিলি জাতি ও উপজাতির মধ্যে শ্রেণীবিন্যাসের দাবীকে খারিজ করে দিয়েছিল। সেই সময় সেই বেঞ্চের তরফে জানানো হয়েছিল, তফশিলিরা একই শ্রেণীর অন্তর্গত। তবে আজ, বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের ৭ বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়ে দিল তফশিলি জাতি ও উপজাতির মধ্যে বিন্যাস হবে (Supreme Court Agreed with Distinguish Quota Among SC ST)।
এদিন এই সাত বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি বিআর গভই, বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদী, বিচারপতি পঙ্কজ মিথাল, বিচারপতি মনোজ মিশ্র এবং বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মা। সাত বিচারপতির মধ্যে ৬ জন বিচারপতিই মত দেন যে তফশিলি জাতি ও উপজাতি সমশ্রেনীভুক্ত নয় (Supreme Court Agreed with Distinguish Quota Among SC ST)। শুধুমাত্র বিচারপতি বেলা এম ত্রিবেদী এই নিয়ে অন্য মত পোষণ করেন।
সুপ্রিম কোর্টের মতে, তফশিলি জাতিভুক্তদের মধ্যেও নানান শ্রেণী রয়েছে। এদের মধ্যে অনেক পিছিয়ে পড়া শ্রেণী রয়েছে। সংরক্ষণের সুবিধা পেলেও সেই জাতিভুক্তদের উন্নয়ন হয়নি। ফলে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের মধ্যে বিন্যাস দরকার। পিছিয়ে পড়া শ্রেণি যাতে শিক্ষা ও চাকরিতে আরও সুযোগ পায়, সেই কারণেই এই রায় বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court Agreed with Distinguish Quota Among SC ST)।
শীর্ষ আদালতের এই রায়ের ফলে দেশের সংরক্ষণ ব্যবস্থা বদলে যেতে চলেছে। রাজ্য চাইলে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের মধ্যে শ্রেণীবিন্যাস করে আলাদা আলাদা শ্রেণীর জন্য আলাদা সংরক্ষণ চালু করতে পারবে (Supreme Court Agreed with Distinguish Quota Among SC ST)। তফশিলিদের মধ্যে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীগুলিকে বাড়তি সংরক্ষণ দেওয়া যেতে পারে এবার। তবে সেক্ষেত্রে সার্বিক সংরক্ষণের মাত্রা কিন্তু পরিবর্তন হবে না।
এই মামলার রায়দানে দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, “অনেক সময়ই বৈষম্যের কারণে তফসিলি জাতি-উপজাতির সদস্য়রা উন্নতির শিখরে পৌঁছতে পারেন না। ১৪ নং অনুচ্ছেদে জাতির এই শ্রেণিবিন্যাসের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ইতিহাসে প্রমাণ রয়েছে যে পিছিয়ে পড়া শ্রেণি কখনও সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রেণি ছিল না”।






