দ্রুতই জনপ্রিয়তা কমছে মোদীর, প্রধানমন্ত্রীর মুখ হিসেবে তালিকার চার নম্বরে উঠে এল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম

দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এখনও তাঁর নামই সকলের প্রথমে রয়েছে। এখনও বেশিরভাগ মানুষই তাঁকেই চাইছেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। কিন্তু গত এক বছরে দ্রুত হারে জনপ্রিয়তা কমেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর।

গত বছরের আগস্ট মাসে ৬৬ শতাংশ মানুষ মোদীকেই চাইছিলেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। কিন্তু এ বছরের আগস্ট মাসে সেই চিত্র অনেকটাই পাল্টে গেল। এবারের আগস্ট মাসে তা নেমে দাঁড়াল ২৪ শতাংশে। শুধু তাই-ই নয়, নতুন এই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ হিসেবে এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছে চতুর্থ স্থানে।

আরও পড়ুন- ‘গণতন্ত্র মানে কী রাস্তায় জামা কাপড় খুলে হাঁটার অধিকার?’ ত্রিপুরা প্রসঙ্গে তৃণমূলের প্রশ্নবাণ দিলীপের

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক সমীক্ষায় এই ফল উঠে এসেছ। কিন্তু হঠাৎ কেন এত জনপ্রিয়তা কমে গেল মোদীর? করোনার দ্বিতীয় ঢেউকেই এর প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে বেশ খানিকটা কমেছিল করোনার সংক্রমণ। কিন্তু মার্চ থেকেই ফের চোখ রাঙাতে থাকে করোনা।

এরপর এপ্রিল মাসেই আছড়ে পড়ে করোনা দ্বিতীয় ঢেউ। এর জেরে হাসপাতালে অক্সিজেন ও বেডের অভাব থেকে মৃত্যু মিছিল, সবকিছুর সাক্ষী ঠেকেছে দেশবাসী। কিন্তু এই অতিমারি সামলাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্র, এমন অভিযোগ তোলে বিরোধী দলগুলি। আর এটাই মোদীর জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে উঠেছে।

তবে এবারের ফলাফলে সবথেকে বড় চমক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই তালিকায় চতুর্থ স্থানে উঠে আসা। গত আগস্টে মাত্র ২ শতাংশ মানুষ তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাইছিলেন। জানুয়ারিতে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ শতাংশে। আর এবারের আগস্টে তা বেড়ে হয়েছে ৮ শতাংশ। তাঁর সঙ্গে এই তালিকায় একই স্থানে রয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁকে ৮ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাইছেন।

আরও পড়ুন- শহিদ সম্মান যাত্রার প্রথমদিনই বাড়ল উত্তেজনার পারদ, গ্রেফতার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর

অন্যদিকে যোগী আদিত্যনাথের জনপ্রিয়তা বেশ  খানিকটা বেড়েছে। তাঁকে ১১ শতাংশ মানুষ দিল্লির মসনদে দেখতে চাইছেন। এই তালিকায় রাহুল গান্ধী রয়েছেন তিন নম্বরে। তাঁকে ১০ শতাংশ মানুষ চাইছেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। তালিকার পাঁচ নম্বরে অবস্থান করছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁকে ৭ শতাংশ মানুষ চাইছেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে।

RELATED Articles