‘ওরা ওখান থেকে নাটক শিখে নাটক করতে এসেছিল এখানে’, তৃণমূল প্রসঙ্গে দাবী ত্রিপুরা বিজেপির

তৃণমূল ত্রিপুরাতে যাওয়ার পর থেকেই নানাভাবে উত্তপ্ত হয়েছে সে রাজ্য। প্রথমেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফরের আগে আগরতলায় তৃণমূলের পোস্টার, ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা, অভিষেকের কনভয় আটকে, তাঁর গাড়িতে হামলা, এসবের কারণে বারবার উত্তাল হয়েছে ত্রিপুরার রাজনীতি। আর এই নিয়ে বারবার তোপ দেগেছে তৃণমূল।

এসবের মধ্যেই গত শনিবার ত্রিপুরার আমবাসা যাওয়ার পথে তৃণমূলের যুব নেতাদের উপর হামলা করে বিজেপি, এমনটাই অভিযোগ তোলা হয় ঘাসফুল শিবিরের তরফে। তাদের গাড়িতে হামলা থেকে শুরু করে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া, এসবের অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন- ‘আমরা যোগ্য সম্মান পাচ্ছি না’, পৃথক উত্তরবঙ্গ গড়ার জল্পনায় ঘি ঢাললেন তৃণমূল ঘনিষ্ঠ নেতা বংশীবদন

এবার এই নিয়ে পাল্টা দাবী আনল বিজেপই। সোমবার ত্রিপুরা বিজেপির তরফে একটি অফিসিয়াল বয়ান জারি করা হয়েছে। এই বয়ানে উল্লেখ করা হয়েছে যে বিজেপির তরফে কোনও হামলা করা হয়নি। ত্রিপুরা বিজেপির মুখপাত্র তথা বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত চৌধুরী তৃণমূলের সমস্ত অভিযোগ নাকোচ করেছেন। তাঁর মতে, ৬ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃণমূল সর্বভারতীয় দলের তকমা পাওয়ার আশা দেখছে।

সুশান্তের দাবী, তৃণমূল মানুষকে বোকা বানাতে চাইছে এসব হামলার অভিযোগ তুলে। তাঁর কথায়, এখানে সুবিধা করতে না এরে কলকাতায় গিয়ে এসএসকেএমে গিয়ে নাটক করছে। সুশান্তের কথায়, ওদের চার্টার্ড বিমান করে আসা-যাওয়া হচ্ছে। দেবাংশু বলছে, মাথার পিছনে লেগেছে, অথচ ব্যান্ডেজ বাঁধা মাথার সামনে। বিজেপি বিধায়কের কথায়, “উনি পৃথিবীর একমাত্র মানুষ যার রক্তের রঙ কালো”।

আর পড়ুন- মুকুল রায় কীভাবে পিএসির চেয়ারম্যান হলেন? স্পিকারকে প্রশ্ন হাইকোর্টের, তলব হলফনামা

সুশান্তবাবু বলেন, “আমরা যদি ওদের উপর হামলা করতাম তাহলে ওঁরা কী পুলিশকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে পারত? আমাদের মুখ্যমন্ত্রীকে ‘জানোয়ার” বলতে পারত। ওঁরা স্লোগান তুলতে পারত বিজেপির চামড়া গুঁটিয়ে নেব আমরা”? সুশান্তবাবু বলেন, “আসলে ওদের কাজ ছিল নাটক করা। ওঁরা করেছে আর চলে গিয়েছে। এবার ওখান থেকে নাটক শিখে এসে আবারও নাটক করবেন রাজ্যে”।

RELATED Articles