এর আগে নানান বিজেপি নেতারা এমন দাবী জানিয়ে এসেছিলেন। এবার পৃথক উত্তরবঙ্গ গড়ার প্রস্তাবে রীতিমতো ঘি ঢাললেন কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতা বংশীবদন বর্মণ। তিনি আবার তৃণমূল ঘনিষ্ঠ নামেও পরিচিত।
তাঁর কথায়, “রাজবংশী ও আদিবাসীদের সরলতার সুযোগ নিয়ে সব রাজনৈতিক দল নিজেদের আখের গুছিয়ে নিচ্ছে। এবার এটা হবে না। দাদা–দিদি বুঝি না। আমাদের জনগোষ্ঠীর যে ভালো করবে, আমরা তার সঙ্গে থাকব”।
আরও পড়ুন- মুকুল রায় কীভাবে পিএসির চেয়ারম্যান হলেন? স্পিকারকে প্রশ্ন হাইকোর্টের, তলব হলফনামা
গতকাল, সোমবার বীরপাড়ায় ৫ নম্বর শ্রমিক লাইনের ফুটবল মাঠে বিশ্ব আদিবাসী দিবস উপলক্ষ্যে একটি অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজবংশী ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কালচারাল বোর্ডের চেয়ারম্যান তথা কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতা বংশীবদন বর্মণ। এদিন এই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “উত্তরবঙ্গের মাটির মালিক রাজবংশী ও আদিবাসী সম্প্রদায়। এই মাটির মালিক হওয়া সত্বেও আজ আমরা দিশেহারা। আমরা যোগ্য সম্মান পাচ্ছি না। এবার আমরা এক হয়েছি। সংবিধান মেনেই আমাদের অধিকার দিতে হবে”।
পৃথক রাজ্যের প্রসঙ্গ তুলে বংশীবদনের দাবী, কোচবিহার রাজ্য ভারতের অন্তর্ভূক্তি চুক্তি অনুযায়ী গ্রেটার কোচবিহার রাজ্য। তিনি জানান যে অসমের ৪টি জেলা নিয়ে এই রাজ্য গঠিত হবে। এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আদিবাসী নেতা রাজেশ লাকড়াও। এই বিষয়ে তাঁর বক্তব্য, “এবার থেকে উত্তরবঙ্গে বংশীবদন ও রাজেশ লাকড়াই শেষ কথা বলবে। রাজবংশী ও আদিবাসীরা একজোট হোক”।
আরও পড়ুন- এবার ‘বালি মাফিয়া’ নিয়ে দলের বিরুদ্ধে সরব মনোরঞ্জন ব্যাপারী, নাম উঠল ‘যুব নেতার’ অনুগামীর
তবে এদিনের অনুষ্ঠানে বিজেপি নেতা জন বারলার পৃথক রাজ্য গঠনের দাবী খারিজ করে দেন রাজেশ। তাঁর সাফ কথা, “পঞ্চম তফশিলিতে কী লেখা রয়েছে, তা জন বারলা জানেন না”। এই কারণে তাঁর পৃথক রাজ্যের দাবীতে আমল দিতে রাজী নন রাজেশ।





