গোটা দেশে প্রায় তলানিতে, তবুও আয়ের দিক থেকে তৃণমূলের থেকে এগিয়ে সিপিএম, সবচেয়ে বেশি আয় বিজেপির

আইনসভার সদস্য সংখ্যা থেকে শুরু করে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে ভূমিকা নেওয়া, সব ক্ষেত্রেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে বিমান-বিজয়ন-ইয়েচুরিরা। কিন্তু দলের আয়ের দিক থেকে কিন্তু তৃণমূলকে বলে বলে টেক্কা দিয়েছে সিপিএম।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ভারতের নির্বাচন কমিশনে নিজেদের আয়-ব্যয়ের হিসেব জমা দেয় তৃণমূল। এর কিছুদিন পরই আয়-ব্যয়ের হিসেব জমা করে সিপিএম। সেখানেই দেখা গিয়েছে, সিপিএমের বার্ষিক আয় তৃণমূলের থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকা বেশি।

আরও পড়ুন- ‘ওরা ওখান থেকে নাটক শিখে নাটক করতে এসেছিল এখানে’, তৃণমূল প্রসঙ্গে দাবী ত্রিপুরা বিজেপির

বর্তমানে, তৃণমূল এবং সিপিএম দুই দলই একটি করে রাজ্যে ক্ষমতায়। এ বছর ১৮ই জানুয়ারি তৃণমূল যে হিসাব কমিশনে জমা দেয়, তাতে তারা দেখিয়েছে, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে তাদের আয় ১৪৩ কোটি ৬৭ লক্ষের কিছু বেশি। আর সে বছর ফেব্রুয়ারি মাসে কমিশনের কাছে নিজেদের আয়-ব্যয়ের হিসেব জমা দিয়েছিল সিপিএম। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে তাদের আয় ১৫৮ কোটি ৬২ লক্ষ টাকার কিছু বেশি।

তবে আয়ের দিক থেকে পিছিয়ে থাকলেও, ব্যয়ের দিক থেকে কিন্তু সিপিএমকে পিছনে ফেলে দিয়েছে তৃণমূল। কমিশনে জমা দেওয়া হিসেব অনুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে তৃণমূল খরচ করেছে ১০৭ কোটি ২৭ লক্ষ টাকার মতো। অন্যদিকে, সিপিএম খরচ করেছে ১০৫ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা।

দেশের নানান রাজনৈতিক দলগুলি নির্বাচন কমিশনে শেষ যে অডিট রিপোর্ট জমা দিয়েছিল তা ২০১৯-২০ সালের। এই রিপোর্টই সদ্য প্রকাশ করেছে কমিশন। এই বছরই ছিল লোকসভা নির্বাচন।

আরও পড়ুন- ‘আমরা যোগ্য সম্মান পাচ্ছি না’, পৃথক উত্তরবঙ্গ গড়ার জল্পনায় ঘি ঢাললেন তৃণমূল ঘনিষ্ঠ নেতা বংশীবদন

তবে নানান দলের পেশ করা হিসাব অনুযায়ী, বাকি সব দল মিলে ২০১৯-২০ সালে যা আয় করেছে, একা বিজেপি-র আয় ছিল এর দ্বিগুণের বেশি। সে বছরে তাদের আয় ৩,৬২৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ২,৫৫৫ কোটি টাকা বিজেপি পেয়েছে ইলেক্টোরাল বন্ড থেকে। অন্যদিকে, সেই অর্থবর্ষে কংগ্রেসের মোট আয় ছিল ৬৮২ কোটি টাকা।

RELATED Articles