আজ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী। সেই উপলক্ষ্যে ‘ভার্চুয়াল সভা’-র আয়োজন করেছিল বিজেপি। সেখানেই বিজেপির সভাপতি জে পি নাড্ডা বললেন, “শ্যামাপ্রসাদের জন্যেই বাংলা আজ ভারতে আছে, না হলে কবেই পাকিস্তানে চলে যেত।”
নাড্ডা আরো বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের ফলে শ্যামাপ্রসাদের স্বপ্নপূরণ হয়েছে। কীভাবে শ্যামাপ্রসাদ বিভক্ত ভারতের অখন্ডতার জন্য লড়াই করেছিলেন সেই কথা স্মরণ করিয়ে দেন নাড্ডা। সেই সময় মুসলিম লীগ যে বাংলাকে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিতে চেয়েছিল সেটা বুঝে তিনি ওই লীগ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন বলে জানান বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।
স্বভাবতই জে পি নাড্ডা নেহেরু ও গান্ধী পরিবারকে কাঠগড়ায় তুলতে ছাড়েননি। তিনি বক্তব্য রাখার শেষের দিকে ঝাঁঝালো আক্রমণ করেন তৃণমূলকে। যদিও সকলেই ভেবেছিলেন যে তিনি আরো অনেকটা সময় ব্যয় করে তৃণমূলের বিরোধিতা করবেন। রাজ্যে ঘূর্ণিঝড় ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের টাকা নিয়ে শাসক দল যেভাবে তছরুপ করেছে তা নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। তবে গতবারের ভোটে যেরকম কাট মানি নিয়ে কথা তুলে বিজেপি অনেকটাই ফায়দা লাভ করেছিল এইবারও কাটমানির অস্ত্র যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের অন্যতম হাতিয়ার হতে চলেছে এই কথা তাঁর ভাষণে স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।নাড্ডা দাবি করেন যে শ্যামাপ্রসাদ এর আমলে বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থা এক অন্য উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থা তাঁকে কষ্ট দেয়।
তিনি বলেন যে, বাংলায় শিক্ষার রাজনীতিকরণ হয়ে গিয়েছে। আজ বাংলার কী অবস্থা হয়ে গিয়েছে, আপনি কোন দলকে ভোট দিচ্ছেন, তার উপর পড়াশোনার ক্ষেত্রের অবস্থান নির্ভর করবে। রাজনীতি এত তৃণমূলস্তর পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে যে সবকিছুতে রাজনীতির রং লেগে গিয়েছে।





