নয়া দিল্লির চাঁদনি চক এবং লালকেল্লা এলাকার মানুষের মধ্যে আবারও নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানে হামলার সম্ভাবনা নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। এ ধরনের খবর সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করলেও, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পর্যবেক্ষণ জোরদার করেছে, যাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা যায়।
গোয়েন্দা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা (লিইটি) রাজধানীতে হামলার ছক কষছে। বিশেষভাবে চাঁদনি চক এলাকার একটি মন্দিরকে তারা লক্ষ্যবস্তু করেছে। জঙ্গিরা ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) ব্যবহার করে এই হামলার পরিকল্পনা করছে। সূত্রের দাবি, লস্কর-ই-তৈবা ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের ইসলামাবাদের একটি মসজিদে বিস্ফোরণের প্রতিশোধ নিতে এই পরিকল্পনা করছে।
দিল্লি পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই সংবেদনশীল এলাকায় নজরদারি জোরদার করেছে। চাঁদনি চক এবং লালকেল্লার আশপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। যানবাহন তল্লাশি এবং মন্দির ও পর্যটনকেন্দ্রের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলি সতর্ক করেছে যে বিখ্যাত ধর্মীয় স্থানগুলি এখনও জঙ্গিদের রাডারে রয়েছে।
এর আগেও, ২৬ জানুয়ারির প্রজাতন্ত্র দিবসকে সামনে রেখে দিল্লি ও দেশের বিভিন্ন শহরে খলিস্তানি এবং বাংলাদেশি জঙ্গি শিবির নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল বলে খবর মিলেছিল। গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, পাঞ্জাবভিত্তিক গ্যাংস্টাররা বিদেশ থেকে পরিচালিত উগ্রপন্থীদের ‘পদাতিক সৈনিক’ হিসেবে কাজ করছে। তারা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যাহত করার জন্য অপরাধমূলক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে।
আরও পড়ুনঃ Goutam Deb: ‘মানুষ আমাকে প্রত্যাখ্যান করেছে, শিলিগুড়ি ফিরে যাচ্ছি’—গৌতম দেবের আক্ষেপে রাজনীতি উত্তাল!
গত বছরের ১০ নভেম্বরও দিল্লির লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের সামনে গাড়িবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনায় হামলাকারীসহ ১৩ জন নিহত হন এবং বহু মানুষ আহত হন। তদন্তের জন্য এনআইএ-এর বিশেষ আদালত তদন্তের সময়সীমা বাড়িয়েছে এবং সাত অভিযুক্তের বিচারিক হেফাজতের মেয়াদও বৃদ্ধি করেছে। এবার নতুন হামলার পরিকল্পনা সামনে আসায় রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।





