বর্তমানে বিতর্কে কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা তিরুপতি লাড্ডু নাকি গিয়েছিল রাম মন্দিরের উদ্বোধনেও। এবার এই নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। এই বিতর্কের সৃষ্টি করেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় সেবক সংঘ (RSS)। সম্প্রতি তিরুপতি মন্দিরের প্রসাদী লাড্ডুতে পশুর চর্বি মেশানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। আরএসএস তাদের মুখপত্র পাঞ্চজন্যতে জানিয়েছে যে তিরুপতি থেকে এক লক্ষ লাড্ডু গিয়েছিল অযোধ্যা রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধন উপলক্ষ্যে।
পাঞ্চজন্যে আরও জানানো হয়েছে, “রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার দিন এক লক্ষ লাড্ডু পাঠানো হয়েছিল অযোধ্যার রামমন্দিরে। এবং সেই লাড্ডু রামভক্তদের মধ্যে বিতরণও করা হয়েছিল। তদন্তে প্রকাশ হয়েছে, তিরুপতির লাড্ডুতে গরু এবং শূকরের চর্বি ছাড়াও মাছের তেল মেশানো হত। সেই লাড্ডু ভক্তদের কাছে প্রসাদী হিসাবে বিক্রি করা হত”।
প্রসঙ্গত এই বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আনেন তেলেগু দশম পার্টির চন্দ্রবাবু নাইডু। এর জন্য তিনি কাঠগড়ায় তুলেছেন পূর্ববর্তী জগমোহন রেড্ডি সরকারকে। অন্ধ্রপ্রদেশের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু গত বুধবার অভিযোগ তোলেন তিরুপতির প্রসাদী লাড্ডুতে ঘিয়ের পরিবর্তে পশুর চর্বি এবং মাছের তেল মেশান হয়। তবে তিনি জানান এই কাজ হত পূর্বতন ওয়াই এস আর কংগ্রেস জোট সরকারের আমলে। তবে চন্দ্রবাবুর এই অভিযোগ মানতে চাননি পূর্বতন সরকারের কেউ।
বৃহস্পতিবারই টিডিপির তরফ থেকে ওই প্রসাদী লাড্ডু, নমুনার পরীক্ষার ফলাফল সামনে আনা হয়। টিডিপির মুখপাত্র এভি রেড্ডি গুজরাট ন্যাশনাল ডেয়ারি ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের রিপোর্ট প্রকাশ করেন। পরীক্ষার রিপোর্টে দেখা গিয়েছে প্রসাদী লাড্ডুর যে নমুনা পাঠানো হয়েছিল তাতে গরু এবং শুয়োরের চর্বি এবং মাছের তেল পাওয়া গেছে।
এই চাঞ্চল্যকর তথ্য খবরে আসার পর থেকে শুরু হয়েছে এক অন্য বিতর্ক। এই তিরুপতির মন্দির থেকেই এক লক্ষ প্রসাদী লাড্ডু গিয়েছিল অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধনে। তবে যে লাড্ডু গুলি অযোধ্যা নিয়ে যাওয়া হয়েছিল সেগুলি তৈরি হয়েছিল ২০০০ কিলো শুদ্ধ ঘি দিয়েই। তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমের এক বোর্ড সদস্য সৌরভ বোরা ৩০ লক্ষ টাকা দান করেছিলেন ট্রাস্টকে। সেই টাকা দিয়েই তৈরি হয়েছিল ১০০০ লাড্ডু।





