২০২০র ভয়াবহতা কাটিয়ে ২১-এর সূচনা লগ্নেই ভারতে তৈরি দু-দুটি করোনা প্রতিষেধক জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য ছাড়পত্র পেয়ে গেছে। শুরু হতে চলেছে এই দুই করোনা প্রতিষেধকের টিকাকরণ কর্মসূচিও। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে ভারত যে করোনাযুদ্ধে অনেকটাই এগিয়ে গেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর ভারতকে এই লড়াইয়ে এতটা এগিয়ে দেওয়ার জন্য অবিরাম অক্লান্ত ভাবে কাজ করে চলা সাফল্যের নেপথ্যে থাকা দেশের বিজ্ঞানীদের কৃতিত্ব দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিন এবং সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ড – দুটিই সদ্য ছাড়পত্র পেয়েছে ভারতে। DCGI’এর দাবি, দুটি প্রতিষেধক ১১০ শতাংশ কার্যকরী, সম্পূর্ণ নিরাপদ। এটা ভারতীয় বিজ্ঞানীদের মেধা এবং একনিষ্ঠ হয়ে গবেষণার ফলাফল বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “হয়ত ফলাফল কী হবে, তা আমরা আগে থেকে বুঝতে পারি না। তবে গবেষণার পরিশ্রম কখনও বৃথা যায় না। তা চালিয়ে যেতেই হবে।” এভাবেই দেশে বিজ্ঞান এবং গবেষণার অগ্রগতির প্রয়োজনীয়তার কথা ব্যাখ্যা করেন তিনি।
সোমবার CSIR-এর বিজ্ঞান সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজ্ঞানীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে তিনি বলেন, এদিন ন্যাশনাল মেট্রোলজি কনক্লেভের উদ্বোধন করে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। ভিডিও কনফারেন্সে তাতে যোগ দেন দেশের বিভিন্ন CSIR-এর গবেষকরা। তাঁদের সামনে রেখেই দেশের বিজ্ঞানীমহলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, দেশীয় প্রযুক্তি, গবেষণার উপর নির্ভর করেই ‘আত্মনির্ভর ভারত’ তৈরি করে ফেলেছে এক জোড়া করোনা ভ্যাকসিন। আর এর গোটা প্রক্রিয়াটাই ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’। দেশবাসী বিজ্ঞানীদের নিয়ে গর্বিত। আর এই সাফল্যের পর এখন ভারতের দিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। শুধু তাইই নয়, বিশ্বের দরবারে ভারতের গ্রহণযোগ্যতাও বাড়ছে দেশের একেকটা সাফল্যের পর, এমনটাই মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী।





