পড়ুয়াদের ফুঁসলিয়ে জঙ্গি দলে যোগ দেওয়ানোর অভিযোগে পিএসএ (PSA) আইনে জম্মু ও কাশ্মীরের সোপিয়ান (Shopian) থেকে গ্রেফতার করা হল ৩ মাদ্রাসা শিক্ষককে। কড়া পাবলিক সেফটি অ্যাক্টে। পিএসএ আইনের আওতায় কোনও একজন অভিযুক্তকে সর্বাধিক ২ বছর আটকে রাখা যায়।
কাশ্মীর জোনের আইজি বিজয় কুমারের কথায়, মাদ্রাসাটির পরিচালনায় রয়েছে কাশ্মীরের নিষিদ্ধ সংগঠন জামাত-ই-ইসলামি। সিরাজ-উলুম ইমাম সাহিব নামে ওই মাদ্রাসার ৩ শিক্ষকের নামে অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই তিন শিক্ষকের নাম আবদুল বাট, মুহাম্মদ ইউসুফ ওয়ানি ও রউফ বাট। ওই মাদ্রাসাটি বহুদিন ধরেই গোয়েন্দাদের নজরে ছিল। মাদ্রাসার ৬ শিক্ষকের গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় তাদের ওপরে নজর রাখা হচ্ছিল। এবার গ্রেফতার করা হল। প্রয়োজন হলে ওই মাদ্রাসার বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মাদ্রাসাটির পড়ুয়ারা জঙ্গিদের দলে যোগ দিচ্ছে খবর আসতেই আরও কড়া নজরে রাখা হয়েছিল ওই মাদ্রাসাটিকে। সোপিয়ানের ওই মাদ্রাসাটি থেকে পাস করেছিল সাজাদ বাট। এই সাজাদই ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ে আত্মঘাতী হামলা চালায়। ওই হামলায় শহিদ হন ৪০ জওয়ান। সোপিয়ান, অনন্তনাগ ও কুলগামের বহু ছাত্র ওই মাদ্রাসাটিতে পড়াশোনা করে। ওই তিন জেলার জঙ্গিদের উপদ্রব বেশি।






