এর আগেও তিনি বেশ কয়েকবার নিজের দলেরে বিরুদ্ধে গিয়ে কথা বলেছেন। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে একযোগে আক্রমণ শানালেন বিজেপি সাংসদ বরুণ গান্ধী। বেকারত্ব নিয়ে কথা বলেন তিনি।
এর আগে কৃষক আন্দোলন নিয়ে বেশ কয়েকবার কেন্দ্রের বিরোধিতা করেছেন তিনি। এবার তাঁর অস্ত্র বেকারত্ব। চাকরিতে নিয়োগের বিলম্ব, কেলেঙ্কারি, ও প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া নিয়ে এদিন টুইট করেন বরুণ গান্ধী।
এদিন বরুণ গান্ধী টুইট করে লেখেন, “প্রথমত, কোনও সরকারি চাকরি নেই, তারপরও কোনও সুযোগ এলে পেপার ফাঁস হয়ে যায়, পরীক্ষা দিলে বছরের পর বছর ফল প্রকাশ হয় না, কোনও কেলেঙ্কারিতে বাতিল হয়ে যায়। রেলওয়ে গ্রুপ ডি-এর পরীক্ষা দেওয়ার পর ১.২৫ কোটি যুবক দুই বছর ধরে ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছে। সেনাবাহিনীতে নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। আর কতদিন ভারতের যুবকদের ধৈর্য ধরতে হবে”? বরুণ গান্ধীর বারবার নিজের দলের প্রতি এই ক্ষোভ জারি করার ঘটনা থেকেই এবার প্রশ্ন উঠছে যে তাহলে কী তিনিও এবার বিজেপি সঙ্গ ত্যাগ করে তৃণমূলেই যোগ দেবেন!
প্রসঙ্গত, প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যাওয়ার জেরে কিছুদিন আগেই উত্তরপ্রদেশে বাতিল করা হয় টেট পরীক্ষা। এই ঘটনায় উত্তরপ্রদেশের পুলিশ এখনও পর্যন্ত ২৩ জনকে গ্রেফতার করেছে। এদের মধ্যে চার জন লখনউয়ের, ১৩ জন প্রয়াগরাজের ও বাকিরা বিহারের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স ঘটনার তদন্ত করবে। যে বা যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, দুটি ভাগে ১৭৫৪টি পরীক্ষাকেন্দ্রে সেই রাজ্যের ১৯ লক্ষ পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। এর আগে গত বছর করোনা অতিমারির কারণে এই টেট পরীক্ষা বাতিল হয়। এই আবহে প্রশ্নপত্রে ফাঁসের জেরে এবছরও পরীক্ষা বাতিল হওয়ায় লক্ষ লক্ষ পরীক্ষার্থী বেশ ক্ষুব্ধ।





