হাতে আর মোটে দেড় বছর। এরপরই রয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। ২০২৬ সালে বাংলাকে পাখির চোখ করেছে বিজেপি। ২০২১-এ হয়নি তো কী হয়েছে, ২০২৬-এর জন্য ফের জোরকদমে কোমর বেঁধে বাংলা জয়ের দিকে এগোচ্ছে গেরুয়া শিবির। চলছে সদস্য সংগ্রহের কাজ। আর এই সদস্য সংগ্রহের জন্য ১ কোটি লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে।
কেন্দ্রের তরফে এমন লক্ষ্যমাত্রা জারি হওয়ার পর থেকেই বেশ তৎপরতার সঙ্গে কাজও শুরু করে দিয়েছেন বিজেপি নেতারা। চলছে সদস্য সংগ্রহ। রাজ্যের নানান প্রান্তে ঘুরে ঘুরে সদস্য পদ গ্রহণ করাচ্ছেন বিজেপি নেতারা। এবার সটান বিয়েবাড়িতে ঢুকে নতুন বউকেও বিজেপির সদস্য পদ গ্রহণ করালেন বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ তথা দলের প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য।
একুশের বিধানসভার পর চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনেও বাংলায় ভরাডুবি হয়েছে বিজেপির। একাধিক জেতা আসনও হারিয়েছে গেরুয়া শিবির। দিলীপ ঘোষ থেকে শুরু করে নিশীথ প্রামাণিক, সুভাষ সরকাররা নিজেদের আসন হারিয়েছে। লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির সাংগঠনিক দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। সেই কারণেই এবার সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু পদ্ম শিবিরের।
কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে জানানো হয়েছে, যারা আগে বিজেপির সদস্য হন নি, তেমন ব্যক্তিদের সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কলকাতা-সহ নানান জনবহুল এলাকায় এর জন্য ক্যাম্প করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। কলেজ পড়ুয়া,মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠী, চা বাগানের কর্মী,পঞ্চায়েত নির্বাচনে লড়াই করে জয়ী ও পরাজিত,পুজারী,খেলোয়াড় ও ক্লাব, অটো ড্রাইভার ও হকার সহ নানান পেশার লোকজনকে সদস্যপদ গ্রহণ করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।
এই সদস্য পদ গ্রহণ করানোর গুরু দায়িত্ব এসে পড়েছে শমীক ভট্টাচার্যের কাঁধেও। তিনিও পালন করছেন নানা কর্মসূচি। এরই মধ্যে গতকাল, শনিবার কামারহাটিতে এক বিয়েবাড়িতে উপস্থিত হয়ে বিজেপির সদস্যকরণ করান তিনি। নববিবাহিতা বধূকেও বিজেপির সদস্যপদ গ্রহণ করান তিনি। কামারহাটি মানেই মদন মিত্রের এলাকা। ফলে তাঁর নাকের ডগা দিয়ে এভাবে বিজেপির সদস্যপদ গ্রহণ করানো যে বেশ উল্লেখযোগ্য ঘটনা, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।





