বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচার যেন বেড়েই চলেছে দিনের পর দিন। এবার খুলনার রূপসার মহাশ্মশান ঘাট মন্দিরে যে ঘটনা ঘটল তা আতঙ্ক ধরিয়ে দিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের এবং মন্দিরের পূজারীদের মধ্যে। নবমীতে রাখা হয়েছিল বোমা আর এবার এখানে চলছে জোর করে জমি দখলের চেষ্টা।
চলতি বছরের দুর্গাপূজার নবমীর দিন এই মন্দিরের গেট থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল ১৬টি তাজা বোমা। যা নিয়ে সেই সময় প্রচন্ড হৈচৈ তৈরি হয়েছিল। আর এবার মন্দিরের পূজারীরা জানাচ্ছেন মহাশ্মশানের চিতার পাশেই জমিতে কেউ বা কারা জোর করে বাঁশ পুঁতে জমি দখলের চেষ্টা করছে।কিছুদিন আগে চিতার পাশে মন্দিরের জমিতে একটি বাথরুম তৈরি করা হয়েছিল৷ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তা ভাঙা সম্ভব হয়েছে৷ তবে মন্দিরের পূজারীদের উদ্বেগ তাতে কমেনি৷
মহাশ্মশান ঘাট মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক রতন কুমার নাথ বিদেশি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘র্যাব নিজেরাই খবর পেয়ে মন্দিরের প্রধান গেট থেকে ১৮টি বোমা উদ্ধার করে৷ ওই ঘটনায় কারা জড়িত সে ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরে আর আমাদের কিছু জানানো হয়নি৷ আমরা শুনেছি, বোমাগুলো নাকি অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল৷’
বোমা উদ্ধার করা হলেও তাদের চিন্তা দূর হয়নি কিন্তু তারপরে এই ঘটনা তাদের আতঙ্ক কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি আরো জানিয়েছেন, এখন নতুন করে কয়েকদিন আগে মহাশ্মশানের চিতার পাশে রাতের আঁধারে কে বা কারা কিছু বাঁশ পুঁতে রেখে গেছে৷ এটা মন্দিরের জমি দখলের তৎপরতা বলেই আমাদের মনে হচ্ছে৷ আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি৷ তারা বলেছে, কালীপুজোর পরে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবে৷ এর কিছুদিন আগে চিতার পাশেই একটি বাথরুম তৈরি করেছিল পাশের বাসিন্দারা৷ বিষয়টি প্রশাসনকে জানানোর পর তারা ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে এসে উচ্ছেদ করে দিয়েছে৷ সবকিছু মিলিয়ে খুলনা শহরের অন্যতম বড় এই মন্দিরটিকে ঘিরে এক ধরনের তৎপরতা চলছে বলেই আমাদের মনে হচ্ছে৷’





