নগরপাল অপমান করেছেন রাজ্যপালের কাছে এহেন অভিযোগ জানানোর পরই শোভন ঘনিষ্ঠ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে মিল্লি আল-আমিন কলেজ থেকে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়।
ফিরহাদ হাকিমের নামে অভিযোগ করেছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়ও।
তবে বদলির নির্দেশ পাওয়ার পরই সংবাদমাধ্যমের সামনে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। জানিয়েছিলেন, বদলির নির্দেশ মানছেন না।
তারপর কেটেছে মাত্র ৪৮ ঘন্টা। গতকাল অর্থাৎ সোমবার রাজভবনে দু’দফায় রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক করলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম পর্বে কলেজের কয়েকজন অধ্যাপিকা এবং দ্বিতীয় দফায় শোভন চট্টোপাধ্যায় সঙ্গে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যপালের কাছে অভিযোগে বৈশাখী জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে দেখা করার পর পরই বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যপালের থেকে সমাধানসূত্র না পেলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও এ দিন জানান বৈশাখী দেবী।
প্রথম পর্বে প্রায় ৪৫ মিনিট বৈঠকের পর দ্বিতীয় পর্যায় শোভন চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সোমবার সন্ধ্যে নাগাদ ফের রাজভবনে আসেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই হুঁশিয়ারির সুরে বিজেপি নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেন, ” আমাকে সামনে রেখে বৈশাখীর ওপর আক্রমণ করা হচ্ছে। বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় কলেজের সমস্যা নিয়ে আমি শিক্ষামন্ত্রীকেও জানিয়েছিলাম। শিক্ষামন্ত্রী তখন বলেছিলেন, বিচলিত হওয়ার দরকার নেই বিষয়টি আমি দেখছি। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী ওপর নির্ভরতা রাখা যায় না সেটাও এই মাধ্যমে স্পষ্ট হল।”
এরপরই প্রাক্তন সহযোদ্ধা ফিরহাদ হাকিমকে সরাসরি নিশানা করে শোভন চট্টোপাধ্যায়। বলেন ” রাজ্যপালকে জানিয়ে গেলাম আপনার কাছে এসেছিলাম। সেই হিংসা প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে অন্য কলেজে দেওয়া হয়েছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক। বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরানোর মূল্য দিতে হবে।”





