একদিকে কৃষকদের ডাকা সারা ভারত বনধ, অন্যদিকে, বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে গেরুয়া শিবিরের ডাকা ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বনধ। জোড়া এই বনধের প্রভাব বেশ ভালোই পড়েছে রাজ্যবাসীর উপর। বনধের জেরে বিপর্যস্ত যান চলাচলও। বনধের জেরে ব্যাহত জনজীবন।
দক্ষিণবঙ্গে কংগ্রেস ও বামকর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় রেল অবরোধ করেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এর জেরে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া, হুগলীতে ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায়, ট্রেনলাইনে বসে বিক্ষোভ দেখায় কর্মীরা। রেল পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করলেও ফের তারা একজোট হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তবে, রাজ্য পুলিশও খুব একটা সক্রিয়ভাবে অবরোধে বাধা দেয় নি।
তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষোভের আঁচও আরও প্রখর হবে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন যে, তিনি বনধকে সমর্থন করেন না। তবে কৃষকদের জন্য ডাকা এই বনধে তৃণমূলের নৈতিক সমর্থন আছে বলেও তিনি জানান। তিনি এও নির্দেশ দেন যাতে বিভিন্ন ব্লকে কৃষকদের সমর্থনে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়।
অন্যদিকে, গতকাল উত্তরকন্যা অভিযানে দলীয় কর্মী উলেন রায়ের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানিয়ে উত্তরবঙ্গে ১২ ঘণ্টার ধর্মঘট ডেকেছে বিজেপি। এর জেরে শিলিগুড়িতে মোটামুটি দোকানপাট বন্ধ। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে সরকারী বাসগুলিতে ইতিমধ্যেই পিকেটিং শুরু করা হয়েছে গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকে। কোনও কোনও স্থানে আবার টায়ার পুড়িয়েও বিক্ষোভ দেখানোর ঘটনা নজরে এসেছে।
সিপিএম ও ডিওয়াইএফআই কর্মীরা এদিন এসপ্লানেড চত্বরে বিক্ষোভ দেখান। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা ও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ মিছিল বেরোবে বলেও জানা গিয়েছে। এর জেরে বিক্ষোভ আরও প্রবল আকার ধারণ করার আশঙ্কা। এই বিক্ষোভের জেরে জনজীবন আরও বিপর্যস্ত হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা যাচ্ছে।





