আর মাত্র দেড় মাস। তারপরই শুরু হচ্ছে নতুন বছর। অনেকেই নতুন বছরে নতুন গাড়ি কিনতে চান। নিত্য যাতায়াতের জন্য গাড়ি এখন বেশ উপযোগী। তবে গাড়ি কেনার আগে তার মাইলেজ ও দাম ভালোভাবে দেখে নিতে হয়। অনেকেরই ধারণা গাড়ির মাইলেজ বেশি হলেই হয়ত গাড়ির দামও বেড়ে যাবে হু হু করে। তেমনটা কিন্তু নয়, বেশ কম বাজেটের মধ্যেও দুর্দান্ত মাইলেজের গাড়ি মেলে।
রইল কম বাজেটের মধ্যে দারুণ মাইলেজযুক্ত কিছু গাড়ির খোঁজ
Maruti Suzuki Swift
দুর্দান্ত একটি হ্যাচব্যাক মারুতি সুজুকি সুইফট। এই গাড়ি অনেক মানুষের প্রথম পছন্দ। এই গাড়ির দাম যেমন কম তেমনই আবার দারুণ মাইলেজ এবং কমফোর্ট। ভারতীয় বাজারে এই গাড়ির দাম ৬ লক্ষ টাকা (এক্স-শোরুম)। গাড়ির মাইলেজ ২২.৫৬ কিমি প্রতি লিটার। ২০২৪ সালে এই গাড়ির নতুন জেনারেশন লঞ্চ করতে চলেছে মারুতি সুজুকি।
Maruti Suzuki WagonR
সবথেকে বেশি মাইলেজ দেওয়ার দৌড়ে আরও একটি সস্তা এবং টেকসই গাড়ি মারুতি সুজুকি ওয়াগন আর। যার দাম ৫.৫৪ লক্ষ টাকা এক্স-শোরুম। গত দু’দশক ধরে ভারতে বিক্রি হচ্ছে এই গাড়ি। এতে ২৪.৩৫ কিলোমিটার প্রতি লিটার মাইলেজ পাওয়া যায়। ভালো মাইলেজের পাশাপাশি যাত্রীদের সুবিধার অনেক ফিচার্স এবং স্পেসিফিকেশনও রয়েছে চার চাকায়।
Maruti Suzuki Fronx
২০২৩ সালেই লঞ্চ হয়েছে এই গাড়ি। গুচ্ছের ফিচার্স, স্পেশফিকেশন এবং ভালো মাইলেজ দিতে এই গাড়িটি হাজির করেছে মারুতি সুজুকি। দাম শুরু ৭.৪৬ লাখ টাকা থেকে (এক্স-শোরুম)। স্টাইলিশ ডিজাইন এবং কমফোর্টের পাশাপাশি গাড়িতে ২১.৭৯ কিলোমিটার প্রতি লিটার মাইলেজ পাওয়া যায়।
Maruti Suzuki Alto K10
কম দামী গাড়ির বাজারে মারুতি সুজুকি অল্টো এই মুহূর্তে ভারতে সবথেকে বেশি মাইলেজ দেওয়া হ্যাচব্যাক। যার দাম শুরু ৪ লক্ষ টাকা থেকে। সিটি কার অর্থাৎ শহরের মধ্যে নিয়মিত চালানোর জন্য পারফেক্ট চয়েস Alto K10। গাড়ির মাইলেজ ২৪.৯০ কিলোমিটার প্রতি লিটার। ম্যানুয়াল ও অটোমেটিক দুই মডেলেই কেনা যায় এই গাড়ি।
Toyota Glanza
বেশ কম্প্যাক্ট ডিজাইন এবং অল-রাউন্ড পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম টয়োটার এই গাড়ি। বিল্ড কোয়ালিটি বেশ মজবুত। চার চাকার দাম ৬.৮১ লক্ষ লাখ টাকা (এক্স-শোরুম)। এই গাড়িতে মাইলেজ পাওয়া যায় ২২.৩৫ কিলোমিটার প্রতি লিটার। নতুন বছরে নতুন গাড়ি হিসাবে Toyota Glanza তালিকায় রাখতে পারেন।





