শনিবারের পর ফের রবিবারেও উত্তপ্ত খেজুরি৷ গুলি চালানোর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

শনিবারে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল খেজুরি৷ এবারে শনিবারের পর রবিবারেও উত্তেজনা ছড়ালো খেজুরিতে। আজ তৃণমূল বিধায়ক রঞ্জিত মন্ডলকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। শুধু তাই নয়, বীরবন্দর বাজারেও চলে অবরোধ।

জানা যায় যে, বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগে ক্ষিপ্ত হয়ে কন্ঠিবাড়ি এলাকায় তৃণমূল বিধায়ক রঞ্জিত মন্ডলের গাড়ি আজ ঘিরে ধরেন বিজেপি কর্মীরা৷ গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়। প্রায় এক ঘন্টা সেখানেই আটকে থাকেন তৃণমূল বিধায়ক৷ আবার বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ যে, তৃণমূল বিধায়ক এবং তাঁর সঙ্গে যারা ছিলেন তারা বিজেপি কর্মীদের মারধর করেন৷ এমনকি দুজন বিজেপি কর্মীকে তারা তুলে নিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ । যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল বিধায়ক। শেষ অবধি পুলিশ বাহিনী পৌঁছে সেই বিধায়ককে সেখান থেকে বেড় করে নিয়ে আসেন৷

 

এরপরই বিক্ষোভ শুরু হয় বীরবন্দর বাজারে। সেখানে হঠাৎই লাঠি, কুঠার নিয়ে অবরোধ করতে নামেন মহিলা সহ অন্যান্য বিজেপি কর্মীরা৷ মুহূর্তে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ বাহিনী পৌঁছালে তাদেরও গ্রামে প্রবেশে বাঁধা দেন বিজেপি কর্মীরা। অভিযোগ, সেই সংঘর্ষে পরে মাথা ফেটে যায় এক সিভিক ভলেন্টিয়ারের৷

বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে যে, হামলাকারীদের পাকরাও না করা পর্যন্ত এই বিক্ষোভ কর্মসূচী চলবে৷ উত্তেজনার পর বিজেপির পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ আনা হয় যে, তৃণমূল দুষ্কৃতিরা আজ বিজেপি কর্মীদের লক্ষ করে গুলি চালিয়েছে। যদিও শাসক দলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগটিও অস্বীকার করা হয়েছে৷

আরও অন্যান্য খবর