আগামী বছরেই নির্ধারিত হয়ে যাবে কে হবে বাংলার শাসক। আর তার প্রস্তুতি এখন পুরোদমে নিচ্ছে বাংলার দুই প্রধান রাজনৈতিক দল। একটি হলো বাংলার বর্তমান শাসক দল অন্যটি হলো বাংলার প্রধান বিরোধী দল। একদিকে যখন নিজেদের গদি বাঁচাতে মরিয়া হয়ে পড়েছে ঘাসফুল শিবির অন্যদিকে তেমনি যেনতেন ভাবে বাংলার শাসনভার নিজেদের মুঠোয় আনতে চায় গেরুয়া শিবিরও। এই নিয়ে এখন দুই দলের মধ্যে চলছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বীতা। বহু মানুষ তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে চলে আসছে।
আগামী ২০২১ এ রাজ্যে ক্ষমতায় আসার লক্ষে বেশ ভালো ভাবেই এগোচ্ছিল বিজেপি। কিন্তু এবার তৃণমূল নেত্রী কর্মসূচি নিয়েছেন ‘ইয়ুথ ইন পলিটিক্স’ এর। এর মাধ্যমে তৃণমূলের উত্তরসূরিদের খোঁজা হচ্ছে।
যিনি একসময় বিজেপিকে নির্বাচনে জিততে সাহায্য করেছিলেন সেই প্রশান্ত কিশোর এখন তৃণমূলের সাথে রয়েছেন। তাঁরই ঘোষিত ইয়ুথ ইন পলিটিক্স কর্মসূচিকে এখন সফল করতে লেগেছে ঘাসফুল শিবির। সূত্রের খবর, এই কর্মসূচির অন্তর্গত প্রায় চার লাখের বেশি যুবক আজ তৃণমূলে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করতে চলেছেন। গত এক মাস ধরে তৃণমূল নেত্রী ও তার দলের অন্যান্য নেতামন্ত্রীদের প্রচারের জন্য একাধিক মানুষ তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন।
কিন্তু কোথাও কোথাও এর উল্টোটাও ঘটছে। সেখানে অনেকেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে চলে আসছেন। যেমন আগেই বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন তৃণমূলের সবথেকে প্রভাবশালী নেতা মুকুল রায়। সেইসময় তাঁর সাথে সাথে তাঁর অনুগামীরাও বিজেপিতে চলে আসে। ঠিক এ রকমই ঘটনা ঘটেছে জলপাইগুড়ি জেলার মাল বিধানসভায়। সেখানে মোট ১২০ জন তৃণমূল কর্মী শাসক দলকে ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন। তাই এইভাবে গণহারে বিজেপিতে যোগদানের ঘটনায় চিন্তায় পড়েছেন শাসক দল। একদিকে তারা পরবর্তী নির্বাচনের জন্য নিজেদের শক্তি বাড়াতে চেষ্টা করছে অন্যদিকে তাদের দলই ভেঙে পড়ছে।





