সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayet Election)। সমস্ত রাজনৈতিক দলের তরফেই প্রস্তুতি নেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের তরফে পঞ্চায়েত নির্বাচনে জনসংযোগ বাড়াতে শুরু হয়েছে ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ (Didir Suraksha Kawaj) কর্মসূচি। এই কর্মসূচিতেই ডাক মেলেনি পঞ্চায়েত প্রধান (Panchayet Head) ও পঞ্চায়েত সদস্যদের। সেই কারণে ক্ষোভ জারি করে গণইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন বারাসাত (Barasat) ১ নম্বর ব্লকের কদম্বগাছি পঞ্চায়েতের প্রধান ও ২৩ জন পঞ্চায়েত সদস্য। এর জেরে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বেশ চাপের মুখে পড়েছে শাসক শিবির।
সূত্রের খবর, গতকাল, মঙ্গলবার কদম্বগাছি পঞ্চায়েতের হেমন্ত বসু নগর এলাকায় ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচিতে যান সাংসদ ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, বিধায়ক রহিমা মণ্ডল, অঞ্চল সভাপতি নিজামুল কবির, দেগঙ্গা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মফিদুল হক শাহাজি, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আরশাদ উদ জামান ও আরও অনেকেই। এই কর্মসূচির মধ্যেই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ।
এই বিষয়ে আরশাদ উদ জামান বলেন, “পিছন দিক থেকে কেউ ইট ছুড়ে মারে। পায়ে লেগে আমি আহত হই। ভিড়ের মধ্যে থেকে কে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলতে পারব না”। পঞ্চায়েত প্রধান গৌতম পাল অভিযোগ তোলেন যে এই দলীয় কর্মসূচিতে একাধিক পঞ্চায়েত সদস্যকে ডাকাই হয়নি।
এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করে পঞ্চায়েত প্রধান বলেন, “দলীয় কর্মসূচি সম্বন্ধে আমাদের জানানো হয় না। ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচি সেরে এদিন বিকেল তিনটের সময় পঞ্চায়েত সদস্যদের নিয়ে বসার কথা ছিল। কিন্তু, সেটাও হয়নি। তাই আমরা ইস্তফার পথেই হাঁটতে বাধ্য হলাম। আমাদের মোট ২৩জন পঞ্চায়েত সদস্য দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দেবেন”।
এই ঘটনা প্রসঙ্গে কদম্বগাছি অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি নিজামুল কবিরের বক্তব্য, “প্রতিটি কর্মসূচিতেই সবাইকেই জানানো হয়। তাই, দলীয় কর্মসূচিতে ডাক না পাওয়ার অভিযোগ কেন করেছেন সেটা বলতে পারব না। ইস্তাফার বিষয়টিও আমার জানা নেই। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির পায়ে আঘাত লাগার ঘটনা ঘটেছে বলেও বলতে পারব না”।





