এক বছর আগেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) পড়ুয়া স্বপ্নদীপ কুণ্ডুর র্যাগিং (Ragging) ও মৃত্যুর ঘটনা আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল। এক বছর যেতে না যেতেই, তিক্ত সেই অভিজ্ঞতা স্মৃতি কাটতে না কাটতেই আবারও র্যাগিং এর সাথে নাম জড়াল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিয়ন রুমে ডেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক পড়ুয়াকে ফের র্যাগিং করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
সেই পড়ুয়া ইতিমধ্যেই ইউজিসি ও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে গোটা ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ জানিয়ে দিয়েছেন। ঠিক কীভাবে র্যাগিং করা হয় সেই পড়ুয়াকে, সবটাই জানিয়েছেন তিনি। গত বছর আগস্ট মাসে যাদবপুরের প্রথম বর্ষের ছাত্র স্বপ্নদীপের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি হয়। সেই সময় র্যাগিংয়ের অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে সেই সময়কার ও তার আগেকার নানান রকম ঘটনা প্রকাশ্যে আসে।
এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও একই ঘটনা ঘটল যাদবপুর ক্যাম্পাসে! ফলে স্বাভাবিক ভাবেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা নিয়ে যেমন প্রশ্ন উঠছে, তেমনই প্রশ্ন উঠছে অ্যান্টি র্যাগিং কমিটির কার্যকারিতা নিয়েও। এই ছাত্রের অভিযোগ পাওয়ার পর যদিও শোনা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যান্টি র্যাগিং স্কোয়াড তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। তবে পরিবারের বক্তব্য, তাদের ছেলে বেশ ভয় পেয়ে রয়েছে।
জানা গিয়েছে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষে পড়ে সেই ছাত্র। তাঁর পরিবারের থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ক্যাম্পাসে যেতে ভয় পাচ্ছে সে। বিশেষ করে এক বছর আগে যাদবপুরে যে ঘটনা ঘটেছে সেই ঘটনা মনে করে আরও আতঙ্কিত হয়ে আছে সে। বারবার র্যাগিং মুক্ত ক্যাম্পাসের দাবি জানাচ্ছে সে। কী অভিযোগ এনেছে সেই ছাত্র?
সেই ছাত্রের অভিযোগ, ২০২৪ সালের যে সকল প্রাক্তনীরা রয়েছেন তারা র্যাগিং করেছে তাকে। গত ২রা আগস্ট তাকে জোর করে ইউনিয়ন রুমে নিয়ে গিয়ে তার উদ্দেশ্যে নোংরা মন্তব্য করেন প্রাক্তনীদের মধ্যে থেকে কয়েকজন। এখানেই শেষ নয়, এরপর তার ফোন কেড়ে তার ব্যক্তিগত মেসেজ পড়ে নেয় তারা। একই সাথে তাকে দিয়ে কিছু মিথ্যে কথাও লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করে ইউজিসি ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে সেই ছাত্র।





