ত্রিপুরার উপনির্বাচনে (Tripura by-election) জামানত জব্দ হয়েছে তৃণমূল (TMC)। এই হারের জন্য সরাসরি বিজেপিকে দায়ী করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তাঁর অভিযোগ, ত্রিপুরার উপনির্বাচনে ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। বিজেপির (BJP) গুণ্ডামি ও লুঠপাটের জন্য তৃণমূলের হার হয়েছে বলে দাবী অভিষেকের।
এর পাশাপাশি তিনি এও স্পষ্ট করেন, “মানুষ যা রায় দিয়েছে আমরা তা মাথা পেতে নিয়েছি। গণতন্ত্রে গণদেবতাই আসল। মানুষের রায় আমরা মাথা পেতে নিয়েছি”। এর পাশাপশি তৃণমূল সাংসদ বেশ দৃঢ় কণ্ঠেই জানান যে ত্রিপুরাতে তৃণমূল লড়াই চালিয়ে যাবে।
অভিষেকের কথায়, “যারা তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছেন বা দেননি তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আগামী দিনে ত্রিপুরায় কাজ করতে বদ্ধপরিকর তৃণমূল কংগ্রেস। ত্রিপুরায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত না হওয়া অবধি আমরা এক চুলও জমি ছাড়বো না। লড়াই চালিয়ে যাব। আমরা যে মানসিকতা নিয়ে লড়াই শুরু করছিলাম সেই মানসিকতা নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাব”।
বলে রাখি, ত্রিপুরার উপনির্বাচনের চারটি আসনেই গো-হারান হেরেছে তৃণমূল। সব মিলিয়ে মাত্র ৪,২০৯টি ভোট পেয়েছে ঘাসফুল শিবির। তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে এটা কোনওভাবেই প্রত্যাশিত ছিল না।
অভিষেক বলেন, “আশা করি ত্রিপুরায় যে প্রার্থীরা জিতেছেন তারা ত্রিপুরার মানুষদের স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করবেন”। তবে জয়ী প্রার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। এর পাশাপাশি তৃণমূল প্রার্থীদেরও ধন্যবাদ জানান অভিষেক।
তাঁর কথায়, “যারা ভোটের ময়দানে মার খেয়ে লড়াই করেছেন, যারা এক ইঞ্চিও মাটি ছাড়েননি তাদেরকে আমি ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের অনুরোধ করব আগামী ছয় মাস মানুষের দাবিকে অগ্রাধিকার দিয়ে আপনার কাজ করুন”।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে। উপনির্বাচনে ত্রিপুরায় তৃণমূলের শোচনীয় অবস্থা হলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু এই হার মেনে নিতে নারাজ। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে এই দুই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেই তৃণমূল লড়বে।





