তবে কেনও বাবুল সুপ্রিয়র বিরুদ্ধে মামলা করলেন অভিষেক? উল্লেখ্য, ৩ পাতার ওই আইনি নোটিশে বলা হয়েছে, আদালতের রায়কে অমান্য করে ইচ্ছাকৃত ভাবে বাবুল ৩১শে ডিসেম্বর সাংসদ অভিষেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন। এবং তাঁর বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্যও করেছেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বাবুল মন্তব্য করেছেন, ‘আমরা সবাই জানি যে আমাদের ভাইপো অর্থাৎ উনি বলেন যে, ওঁর নাম নেওয়ার সাহস নাকি কারও নেই। আমি ভয় পাই না, ভাইপো হচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম করেই বলছি শান্তিনিকেতনে গরু পাচার, বালি পাচার, লোহা পাচারের কালো টাকা দিয়ে কলকাতায় মহল বানিয়েছেন।’ বাবুলের এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই তাঁকে নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছিল।
আর এবার অভিষেকের পাঠানোর নোটিশের প্রতিক্রিয়া দিলেন বাবুল সুপ্রিয়। এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমি ক্ষমা চাওয়ার আগে বিগত দশ বছর ধরে ‘পিসি-ভাইপো’ যেভাবে গোটা পশ্চিমবঙ্গকে লুঠ করেছে সেজন্য রাজ্যের মানুষের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।”
একই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দেয় তৃণমূল নেতার তরফে পাঠানো আইনি নোটিসের জবাব জলদি মিলবে। আইনি পদ্ধতির মাধ্যমেই তা দেওয়া হবে।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার