‘ধর্ষকদের কোনও আলাদা জাত হয় না, ওদের একটাই পরিচয়, ওরা ধর্ষক’, আর জি করের ঘটনায় ঠিক এভাবেই প্রতিক্রিয়া জানালেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর জি করে যা ঘটেছে, তা নারকীয় ও মর্মান্তিক, এমনটাই বললেন তৃণমূল নেতা। আইন এনে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সপক্ষে সওয়াল অভিষেকের।
আর জি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই নিজের অবস্থান জানিয়েছেন। দোষীর ফাঁসির কথাও বলেছেন তিনি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষী গ্রেফতার হলেও এখনও এই ঘটনায় উঠছে একাধিক প্রশ্ন। পরিস্থিতি এখনও থমথমে। বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন আর জি করের চিকিৎসকরা। আর এমন আবহে এবার এই ঘটনায় মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
অভিষেকের কথায়, “আমি মনে করি আইনসভায় এমন কঠোর আইন আনা দরকার, যেখানে সাত দিনের মধ্যে খুনি ধর্ষকদের একদম এনকাউন্টার করে মারা উচিত। দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলছি। কেন বছরের পর বছর ট্রায়াল চালাবেন মশাই? এক বছরে ৭৩ হাজার টাকা খরচ। পাঁচ বছর জেলে রাখলে সাড়ে ৩ লাখ টাকা খরচ। কেন”?
তাঁর সংযোজন, “আমাদের আইন হাত বেঁধে রেখেছে। এই ধরনের ঘটনা যারা ঘটায় তাদের সমাজে থাকার অধিকার নেই। কিন্তু দেশের আইন এমন চাইলেও আমরা কিছু করতে পারি না”।
ট্রায়াল পর্ব থেকে দোষী সাব্যস্ত হওয়া ও সাজা ঘোষণা সময়সাপেক্ষ। অভিষেক বলেন, “যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে সে ডাক্তার, পুলিশ, ইঞ্জিনিয়ার, খেলোয়াড়, কৃষক নাকি শ্রমিক, ধর্ষকের তো কোনও জাত হয় না। খুনির তো আলাদা পরিচয় নেই। ধর্ষকের তো কোনও জাত হয় না। সে ধর্ষকই। সে আগে ধর্ষক, সে আগে খুনি। তার সমাজে থাকার কোনও অধিকার নেই। দ্রুত ট্রায়াল করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই”।
অভিষেকের কথায়, সব বিষয়ে রাজনীতি করার কী প্রয়োজন। তিনি এও বলেন, “আইনসভায় সংশোধন করে হয় অর্ডিন্য়ান্স আনুক। ৬ মাস পর অ্যামেন্ডমেন্ট করে বিল আনুন। যাতে অন্তত ১ মাসের মধ্যে ব্যবস্থা হয়। অর্ডিন্য়ান্স করে ইডির ডিরেক্টরের মেয়াদ বাড়াতে পারে, একজন ধর্ষক বা খুনির যাতে সাতদিনে বিচার হয়, এই অধ্যাদেশ আনতে পারে না কেন? চাইলে তো আনা যায়”।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!