সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। সেই কারণে এখন তৃণমূল পাখির চোখ করেছে নন্দীগ্রামকে। এর আগে দলীয় নেতা-কর্মীদের বার্তা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল, মঙ্গলবার অভিষেকের নির্দেশে নন্দীগ্রামে ১ ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ দেখা করেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। আর্থিক ও আইনি লড়াইয়ে পাশে থাকার বার্তা দেন তিনি। শীর্ষ নেতৃত্বের আশ্বাস পেয়ে বেশ স্বস্তিতে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা।
গতকাল, মঙ্গলবার সকালে নন্দীগ্রামে তৃণমূল নেতা বাপ্পাদিত্য গর্গ জেলবন্দি একাধিক তৃণমূল পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন। তাদের সুবিধা অসুবিধার খোঁজ খবর নেন তিনি। জানা গিয়েছে, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর ভোট পরবর্তী হিংসায় বিজেপি কর্মী দেবব্রত মাইতিকে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় মামলা তদন্তের দায়িত্ব নেয় সিবিআই। নন্দীগ্রামে ১২ জন নেতা কর্মীকে গ্রেফতার করা হয় এই ঘটনায়।
বর্তমানে সেই কর্মীরা জেলবন্দি রয়েছেন। একটানা দু’বছর ধরে জেলেই দিন কাটছে তাঁদের। এদিকে, পরিবারের সদস্যরা জেলে থাকায় আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত পরিবারের সদস্যরা। সেই পরিবারগুলিকেই সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন তৃণমূল নেতৃত্বরা।
এই বিষয়ে নন্দীগ্রাম ১ ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বাপ্পাদিত্ত গর্গ বলেন, “বিধানসভা নির্বাচনের পর, নন্দীগ্রামে বিজেপি মদনপুষ্ট তোতা পাখি সিবিআইকে দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী ১২ জন নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছে। টানা দু’বছর জেলবন্দি রয়েছেন। এরা কোনও অপরাধ করেননি। এদের একটাই অপরাধ এরা তৃণমূল কংগ্রেস করেন”।
তাঁর সংযোজন, “দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশক্রমে জেলবন্দি ১২ জনের মধ্যে ৮ জনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করলাম”।
অন্যদিকে জেলবন্দি এক পরিবারের সদস্যরা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমার পরিবার এক সদস্য জেলবন্দি রয়েছে। আর্থিকভাবে আমরা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছি। নেতৃত্বরা পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন। খুবই খুশি”।





