আজ ছিল পুরভোটের ফলাফল প্রকাশের দিন। রাজ্যজুড়ে আজ ফের দেখা গিয়েছে সবুজ ঝড়। প্রত্যাশামতোই ১০৮টি পুরসভায় তৃণমূলেরই জয়জয়কার। প্রথমবার ভোটে দাঁড়িয়েই জয় পেলেন অভিনেত্রী শ্রীতমা ভট্টাচার্য।
কামারহাটি পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ঘাসফুল শিবিরের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন শ্রীতমা। বিরোধীদের হারিয়ে জয় ছিনিয়ে নেন ছোটো পর্দার ‘ঝিলিক’। অন্যদিকে আবার, খড়গপুরের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়িয়ে জয়ী হলেন অভিনেতা-বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন শ্রীতমা। সেই সময় ঘাসফুল শিবিরের হয়ে প্রচার করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। তবে ভোটে দাঁড়াননি তিনি। এবার কামারহাটির ২৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে পুরভোটের জন্য তৃণমূলের তরফে প্রার্থী করা হয়েছিল তাঁকে।

আর প্রথমবার ভোটে দাঁড়িয়েই জয় পেলেন তিনি। নিজের এই জয়ের কৃতিত্ব শ্রীতমা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মদন মিত্রকে। মদন মিত্র কামারহাটির বিধায়ক। তিনি প্রথম থেকেই শ্রীতমার পাশে থেকেছেন। শ্রীতমার হয়ে প্রচার করতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে।

প্রথমবার ভোটে দাঁড়িয়ে তাঁর এই জয়ে খুবই খুশি শ্রীতমা নিজে। নিজের এলাকার জন্য সবথেকে প্রথমে কোন কাজটা করতে চান তিনি? উত্তরে শ্রীতমা বলেন যে তাঁর এই এলাকায় জল জমার বেশ সমস্যা রয়েছে। এই সমস্যা আগে মেটাতে চান তিনি।
শ্রীতমা তাঁর এই জয়ের কৃতিত্ব দিয়েছেন তাঁর বাবাকে। অভিনেত্রীর কথায়, তাঁর বাবা তাঁর মাথার উপর না থাকলে তিনি কোনওভাবেই এতটা এগোতে পারতেন না। শ্রীতমার কথায়, তিনি যেমন অভিনেত্রী হয়ে মানুষের মন জয় করেছেন, তেমনই কাউন্সিলর হয়ে মানুষের জন্য কাজ করে মানুষের মন জয় করতে চান।
গোটা রাজ্যে যখন সবুজ ঝড় উঠেছে, সেই সময় খড়গপুরের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হলেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এই জয়কে মানুষের জয় হিসেবেই দেখছেন বিজেপি বিধায়ক। তাঁর কথায়, মানুষ আছে বলেই দল আছে। মানুষ ছাড়া দল হয় না। তাই মানুষের সিদ্ধান্তই সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত বলে মনে করেন হিরণ।





