রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে ততই বিরোধীদলের উপর শাসক শিবিরের অত্যাচারের মাত্রা বাড়ছে, এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। এবার শাসকদলের হিংসার শিকার হলেন নদীয়া জেলার এক বিজেপির স্থানীয় যুব নেতা। বিজেপির অভিযোগ তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী এই নেতাকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। পরবর্তীতে তাকে কলকাতার নীলরতন সরকার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলে তিনি আজ মারা যান।
নদীয়া জেলার ভীমপুর থানার পোড়াগাছা পঞ্চায়েতে গলা কাটা গ্রামের বিজেপি নেতা বাপি ঘোষকে সম্প্রতি আক্রমণ করে তৃণমূলের ঠ্যাঙাড়ে বাহিনী, এরকমই অভিযোগ জানিয়েছেন বিজেপির যুব মোর্চার নেতা রাজু সরকার। রাজ্য বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁ জানান যে, রাজ্য পুলিশ বাপি ঘোষ-এর দেহে কোনরকম মালা বা দলীয় পতাকা লাগাতে দেয়নি এবং কনভয় করে কলকাতা থেকে কৃষ্ণনগরের উদ্দেশ্যে রীতিমতো বাপি ঘোষের দেহ চুরি করে রওনা দিয়েছে রাজ্য পুলিশ। কনভয় করে রীতিমত বিশাল পুলিশবাহিনী দিয়ে বাপি ঘোষের দেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে কৃষ্ণনগরে। তার আরও অভিযোগ যে, তৃণমূল রাজ্যে বিজেপি কর্মীদের ওপর প্রবল আক্রমণ চালাচ্ছে এবং তাতে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছে রাজ্য পুলিশ। কীভাবে দেহ চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে রাজ্য পুলিশের কনভয় তার ভিডিও তাদের কাছে রয়েছে বলে জানান তিনি।
সৌমিত্র খাঁ আরও বলেন যে “এইভাবে চলতে পারে না, তৃণমূল এখন নরখাদক হয়ে দাঁড়িয়েছে, দিনের পর দিন যেভাবে বিজেপি কর্মীদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে তৃণমূল, তা কখনোই মেনে নেওয়া যায় না।”
বিজেপি যুব নেতা রাজু সরকার আমাদের প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন যে, ‘বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁর তরফে বারবার পুলিশকে বলা হয়েছিল যে গাড়িটি একবার থামাতে, তারা দলীয় পতাকা ও মালা দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন বাপি ঘোষকে কিন্তু পুলিশ কোনোভাবেই তাদের কথা শোনেনি।’
বিরোধীরা এখন বলছেন, এই ভাবেই দিদির রাজ্যে মাৎস্যান্যায় চলছে দিনের পর দিন ধরে।





