“গুরুদেবের শিক্ষার উদ্দেশ্য সংকীর্ণতার বেড়ি ভাঙা”, ‘বহিরাগত’ তকমায় তৃণমূলকে পাল্টা জবাব শাহ্’র

সংকীর্ণতার বেড়ি ভাঙতে স্বয়ং রবিঠাকুরই শিখিয়েছেন। এদিন বোলপুরে সফরে গিয়ে ফের একবার মনে করে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তৃণমূল যখন এক নাগাড়ে বিজেপিকে ‘বহিরাগত’ তকমা দিচ্ছে, তখন তার উচিত জবাব দিতে রবীন্দ্রনাথকেই পাথেয় করলেন শাহ।

গতকাল, শনিবারই তিনি বলেন, “মানুষের সঙ্গে ক্ত্যহা বলতে পারব না, এটা তো বাংলার সংস্কৃতি নয়। এই ভূমি রবীন্দ্রনাথের। তাঁর কাছে সারা বিশ্ব একটাই ঘোর। এমন সঙ্কীর্ণ রাজনীতি আগে হয়নি”।

আজ, রবিবার বিশ্বভারতীতে এসে অমিত শাহ আপ্লুত হ্ন। রবীন্দ্র ভবনে রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে তিনি বলেন, “এখানে আসার সুযোগ হল, এ আমার পরম সৌভাগ্য। মহামানবকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করলাম। সারা দুনিয়ায় ভারতীয় কলা, জ্ঞান, সাহিত্য, দর্শনকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ। বিশ্বভারতীর মাধ্যমে বাংলার সংস্কৃতি, সাহিত্য, দর্শনকে সমৃদ্ধ করেছেন রবীন্দ্রনাথ। তাঁর লেখাঁ দুটি গান দুটি দেশের জাতীয় সঙ্গীত। রবীন্দ্রনাথকে সম্মানিত করে নোবেলের সম্মান বেড়েছে। তাঁর শিক্ষার উদ্দেশ্যই হল সংকীর্ণতার বেড়ি ভাঙা”।

বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ক্রমাগত ‘বহিরাগত’ তকমা দিয়েছে তৃণমূল। এদিনও পরোক্ষভাবেই তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, “রবীন্দ্রনাথকে যারা চেনে না, তারা আবার পশ্চিমবঙ্গ দখল করতে চায়। ঈশ্বরচন্দ্রের মূর্তি ভেঙেছে, এবার রবীন্দ্রনাথকে ছোটো করতে চায়। এর প্রতিবাদ দরকার। বাইরের কেউ বিশ্বকবিকে ছোটো করবে, তা বরদাস্ত করব না”।

তৃণমূল ক্রমশ মানুষকে এটাই বোঝানোর চেষ্টা চালাচ্ছে যে বিজেপি বাংলার সংস্কৃতি বোঝে না। এদিন শাহ যেন রবীন্দ্র শিক্ষার পাঠ পড়িয়ে এটাই বোঝাতে চাইলেন যে সকলকে গ্রহণ করাই রবীন্দ্রনাথের প্রকৃত শিক্ষা যা তৃণমূলের মতো রাজনীতিবিদদের বোঝার বাইরে।

RELATED Articles