২০১৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটের সময় পুলিশের গাড়িতে বোম (bomb) মারার নিদান দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর সেই নির্দেশের ভিডিও মুহূর্তে ভাইরাল (viral video) হয়। এরপর থেকেই বাংলার রাজনীতিতে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandal) নাম স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বাংলার মানুষ তখন থেকেই চিনতে শুরু করেছিল তাঁকে। জেনে ছিল, তিনি বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মণ্ডল।
তবে এই ঘটনারও তিন বছর আগে এক বোমা বিস্ফোরণের মামলায় নাম জড়ায় অনুব্রতর। সেই বিস্ফোরণ মামলাতেই এবার হাজিরা দিতে হবে কেষ্টকে। বিধাননগরের এমপি-এমএলএ আদালতে আজ, বৃহস্পতিবারই হাজিরা দেবেন গরু পাচার কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া অনুব্রত মণ্ডল।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের ৫ মার্চ মঙ্গলকোট থানার লাখুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মল্লিকপুর গ্রামে সন্ধেবেলা বিকট বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। বোমা বিস্ফোরণে কেবুলাল শেখ নামের একজন ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত হন। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ওই বছরই অক্টোবর মাসে চার্জশিট দেয় মঙ্গলকোট থানা। তখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।
এই মামলার চার্জশিটে নাম রয়েছে অনুব্রত মণ্ডল-সহ মোট ১৫ জনের। মঙ্গলকোট বিস্ফোরণ মামলার চার্জশিটে নাম উঠেছিল কেতুগ্রামের বিধায়ক শেখ শাহনাওয়াজের। অনুব্রত মণ্ডল বীরভূম জেলার তৃণমূল সভাপতি হলেও, তাঁর গ্রেফতারির আগে পর্যন্ত তিনি তিনটি বিধানসভার সাংগঠনিক কাজ দেখতেন। এই তিন বিধানসভা হল কেতুগ্রাম, আউশগ্রাম ও মঙ্গলকোট। ২০০৯ সাল থেকেই এই সমস্ত এলাকায় কেষ্টর যাতায়াত।
তবে বীরভূমের তৃণমূলের দাবী, সেদিন ওই ঘটনার সময় অনুব্রত মঙ্গলকোটে ছিলেন না। তিনি ছিলেন লাভপুরে। তৃণমূলের তরফে দাবী করা হয়েছে যে বুদ্ধবাবুর পুলিশ সেই সময় মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়েছিল অনুব্রতকে। দেই মামলার কারণেই আজ, বৃহস্পতিবার আসানসোল থেকে কলকাতা আসছেন অনুব্রত।





