ঘনঘন ক্ষমা চাইছেন অনুব্রত! ঔদ্ধত্য মানা হবে না। অহংকারকেও প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। দলকে শিক্ষামূলক ভাষণ তাঁর!

সামনেই একুশের বিধানসভা ভোট। আর তার আগে দলকে সঠিক পথে আনতে প্রায় শিক্ষকের ভূমিকাই নিয়েছেন বীরভূম তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। কখন‌ও দলের বিভিন্ন কাজের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইছেন আবার কখন‌ও কড়া কথা শোনাচ্ছেন। দলীয় সভা থেকে কর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি কোনও ঔদ্ধত্য মেনে নেওয়া হবে না। অহংকারকেও একেবারেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

করোনা আবহেও ২০২১-এর লক্ষে বীরভূমে কর্মিসভা করেই চলেছেন অনুব্রত মণ্ডল। রবিবার সেরকমই একটি কর্মিসভা ছিল সাঁইথিয়ায়। সেখানে তিনি দলীয় কর্মীদের সতর্ক করে বলেন, কারও ঔদ্ধত্ব মেনে নেওয়া হবে না। নেতা, কর্মীদের উদ্দেশে তাঁর হুঁশিয়ারি, যাঁরা অঞ্চল প্রধান রয়েছেন, তাঁরা যদি ভেবে নেন, তাঁরাই অঞ্চলের সব, তাহলে মানুষ মানবে না, দলও মানবে না। কথা না শুনলেও মানুষও মানবে না, দলও মানবে না।

সেই সঙ্গে প্রকাশ্যেই সভায় দলের পক্ষ থেকে তিনি বলেন, দলের কোনও কর্মী যদি কোনও অন্যায় করে থাকেন, তাহলে তিনি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছেন। অনুব্রত বলেন, এটা পঞ্চায়েত কিংবা জেলা পরিষদের ভোট নয়। এটা মিউনিসিপ্যালিটির ভোটও নয়। তাই মুখ্যমন্ত্রীর পাশে থাকুন। একই সঙ্গে তৃণমূলের অপরিহার্যতার কথা ও জানাতে ভোলেননি অনুব্রত। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় না থাকলে বাংলায় অন্ধকার নেমে আসবে।

ইদানিং অনুব্রত মণ্ডলের মুখে ক্ষমা চাওয়ার প্রসঙ্গ বারবার আসছে। তা ব্যতিক্রম হয়নি এই মাসের শুরুর দিকে পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির বীরভূম জেলার অনুষ্ঠানে। সেই অনুষ্ঠানেও তিনি বলেছিলেন, যদি কোনও কটূ কথা বলে থাকেন, তাহলে ক্ষমা করে দেবেন। এই মাসের শুরুর দিকে পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির বীরভূম জেলার অনুষ্ঠানেও তিনি বলেছিলেন, যদি কোনও কটূ কথা বলে থাকেন, তাহলে ক্ষমা করে দেবেন। কে জানে এত ঘনঘন ক্ষমা কেন‌ও চাইছেন তিনি।

RELATED Articles

Leave a Comment