ভরা বি টি রোডের উপর গুলি করে খুন করা হয় ব্যারাকপুরের বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লকে।রবিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ টিটাগড় থানার কাছে ঘটে এই ঘটনাটি। বাইকে চেপে আসা দুষ্কৃতিরা মনীশকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। তার হাতে ও কাঁধে লাগে গুলি। এরপর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে মৃত বলে ঘোষণা করা হয় তাকে। তাকে বাঁচাতে গিয়ে তার এক সহকর্মীর গায়েও গুলি লাগে।
এই ঘটনার প্রতিবাদের জেরে বিক্ষোভ দেখা দেয় ওই অঞ্চলে। ব্যারাকপুর-বারাসাত পথ অবরোধ করা হয়। এই ঘটনার পিছনে শাসক দলের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি সদস্য কর্মী। পুলিশের অনুমান, পরিকল্পিত ভাবেই খুন করা হয়েছে মণীশকে। এক্ষেত্রে ভাড়াটে খুনিদের ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে।
আজ সকালেই বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় পৌঁছন মনীশ শুক্লার বাড়িতে। তারপরেই সেখানে আসেন ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংহ। ব্যারাকপুর এলাকায় অর্জুনের ডানহাত হিসেবেই পরিচিত ছিলেন মণীশ। ঘটনার কথা জানার পর ভেঙে পড়েন তিনি। আজ সকালে মণীশের বাড়িতে এসে শোকপ্রকাশও করেন। তাঁর অভিযোগ, “এটা পুলিশ ও ক্রিমিনালের জয়েন্ট অপারেশন। এই ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র পুলিশের কাছেই থাকে। আমি চাই সিবিআই এই ঘটনার তদন্ত করুক। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তা হতে দেবেন না। তবে কোর্টে গিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবী জানাব”। ঘটনার আধঘণ্টা আগে পর্যন্তও মনীশ তাঁর সঙ্গেই ছিলেন বলে জানান তিনি। ব্যারাকপুর ও হাবড়া অঞ্চলে বিজেপির একাধিক কর্মসূচী ছিল। এরপর অর্জুন চলে যান কলকাতার দিকে ও মণীশ টিটাগড়ের দিকে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, ঘটনার ঠিক আগেই ওই রাস্তা দিয়ে তৃণমূলের একটি ধিক্কার মিছিল যায়। এরপরই বেশ কয়েকটি বাইক আসে, বাইক আরোহীদের মুখ ঢাকা ছিল। তারপরই দুষ্কৃতীরা মনীশ শুক্লকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকে। সরাসরি শাসকদলকে তোপ দেগে অর্জুন বলেন, তৃণমূল পায়ের তলায় মাটি হারিয়ে দিশেহারা হয়ে গেছে। রাজনৈতিক ভাবে পেরে না উঠে এবার খুনের ছক কষল। তবে এভাবে যে বিজেপিকে দমিয়ে রাখা যাবে না, এও নিজের বক্তব্যে স্পষ্ট করেন তিনি।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!