গতকাল, শুক্রবার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে হাসপাতালে যাওয়ার সময়ই তিনি বলেছিলেন যে দল তাঁর পাশেই রয়েছে। এবার সেই প্রমাণও মিলল। রেশন দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের পাশে থাকার বার্তা দিলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। আবার অন্য এক সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী অনুপস্থিতিতে সংগঠনের কাজের কোনও অসুবিধা হবে না।
গত বৃহস্পতিবার বারাসাত সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের বৈঠক ছিল। হাবড়ার বিধায়ক তথা বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক গ্রেফতার হওয়ার পর এই প্রথম বারাসাতে হয় সাংগঠনিক বৈঠক। এই বৈঠকে ছিলেন জেলা সভাপতি তথা সাংসদ ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার, খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ন গোস্বামী, বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায় সহ ব্লক এবং টাউনের নেতৃত্বরা।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, লোকসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রী গ্রেফতার হওয়ায় সংগঠনকে উদ্বুদ্ধ করতেই এই বৈঠক।
কী বললেন এই বৈঠকে যোগ দেওয়া নেতানেত্রীরা?
এদিন বৈঠক শেষে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, “বিষয়টি বিচারাধীন। তদন্ত চলছে। তবে ব্যাক্তিগতভাবে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক কি করেছেন, তাতে দলে কোনও প্রভাব পড়বে না। দল এই জেলায় সাংগঠনিকভাবে শক্ত ভিতের উপরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। প্রতিটি স্তরেই উপযুক্ত নেতৃত্ব আছেন। ফলে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের না থাকা সংগঠনের কাজে অসুবিধা হবে না। তবে, সমস্যা হচ্ছে কি না সেটা সম্মুখীন হওয়ার পরেই বোঝা যাবে”।
খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ বলেন, “উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সাংগঠনিকভাবে বিভাজিত। প্রতিটি সাংগঠনিক জেলাতেই তৃণমূলের মজবুত নেতৃত্ব। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আমাদের সহকর্মী। তাঁর গ্রেফতারিতে আমাদের খারাপ লাগছে। কিন্তু সংগঠনে তার কোন প্রভাবই পড়বে না”।
কী বললেন অর্জুন সিং?
শ্যামনগর রত্নেশ্বর ঘাটে পিস হেভেন উদ্বোধন করেন ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক একজন ভালো লোক। ইডির পর ওঁর যখন জেল হেফাজত হবে, তখন দেখা করতে যাব। তাঁর পাশে দাঁড়াব। আইনি সাহায্যের প্রয়োজন হলে সেটাও করব। মানসিক দিক থেকে সবসময় ওঁর পাশে থাকব”।





