আজ বিজেপির প্রদেশ অধ্যক্ষ দিলীপ ঘোষ নাম না নিয়েই বলেন, ‘বিজেপির বৃদ্ধিতে যাঁদের কোনও অবদান নেই, তাঁরা যেতে পারেন।’
আরও পড়ুন- ‘মস্তক মুণ্ডন করে পাপ খণ্ডাব’, মুকুল বিদায়ে প্রথম প্রতিক্রিয়া সৌমিত্র খাঁর
মুকুল রায় বিজেপিতে যোগ দিলেও, তাঁর সঙ্গে দিলীপ ঘোষের সম্পর্ক যে বিশেষ মধুর ছিল না তা বলা বাহুল্য। বঙ্গ রাজনীতিতে মুকুলকে চাণক্য বলা হয়। অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের জন্যই লোকসভা নির্বাচনে ১৮টা আসন হস্তগত করতে পেরেছিল বিজেপি বলে জানা যায়। একইসঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে অনেক তৃণমূল নেতাকে বিজেপিতে নিয়ে আসার পিছনেও তাঁরই হাত সব থেকে বেশি।
অর্জুন থেকে সৌমিত্র, অনুপম থেকে শুভেন্দু বিজেপির ভাঁড়ার ভরেছে তৃণমূল প্রাক্তনীদের দয়ায়। সেই তালিকায় সব থেকে ভারী নাম ছিল মুকুল রায়। কারণ যে সময় তিনি বিজেপিতে আসেন সেই সময় তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ছিলেন তিনি। বহু নেতাকেই বিজেপিতে নিয়ে আসার পেছনে তাঁর অবদান অনেক। আর তাই তাঁর তৃণমূলে ফিরে যাওয়ায় ক্ষোভ চেপে রাখতে পারেননি অনেকেই।
যেমন বিজেপির প্রদেশ অধ্যক্ষ দিলীপ ঘোষ, তিনি বলেন, অনেকেই ভেবেছিলেন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জিতবে। আর সে লক্ষ্যেই দলে এসেছিলেন। এখন মনে হচ্ছে ফিরে যাচ্ছেন।
মুকুল রায় প্রসঙ্গে দিলীপ বাবু জানিয়েছেন, এটা ওঁর ব্যক্তিগত সমস্যা। সবাই এক আছে। আগামিদিনে সবাই মিলে দলকে ফের ক্ষমতায় নিয়ে আসব।
আরও পড়ুন- তৃণমূলের রাজ্যসভার সংসদ পদে বসতে চলেছেন মুকুল রায়
তবে মুকুল রায়ের দিকে আক্রমণ শানিয়েছেন একদা তৃণমূল ও এখন বিজেপিতে তাঁর প্রাক্তনী, সৌমিত্র খাঁ এবং অর্জুন সিং। বিজেপি সাংসদ মুকুল রায়কে চাণক্য নয়, মীরাজাফর বলে তীব্র তোপ দেগেছেন। তাঁর দাবি, যে নিজের ছেলেকে জেতাতে পারে না। সে দলকে জেতাবে কি করে! শুধু সৌমিত্র একা নয়, মুকুল রায়কে তীব্র আক্রমণ করেছেন ব্যারাকপুরের সাংসদও। অর্জুনের তোপ, আমি সব সময় বলতাম ওই লোকটা দলে ক্ষতি করছে। যে দলে থাকে সে দলের ক্ষতি করে। বিজেপিতে থেকেও ক্ষতি করেছেন উনি।





