‘আমার চোখে তো সকলই শোভন’, হ্যাঁ এই লাইনব দিয়েই শোভনের প্রতি ভালোবাসা জানিয়েছিলেন বৈশাখী এর আগে। শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়, তাদের প্রেম কাহিনী নিয়ে লোকে যাই বলুক না কেন, সেসবে থোড়াই কেয়ার করেন তারা। তারা দুজন তো দুজনের মধ্যেই হারিয়ে রয়েছেন।
গত কিছুমাস ধরেই শোভন-বৈশাখী জুটি ভাইরাল। দশমীর দিন সর্বসমক্ষে বৈশাখীকে সিঁদুর পরিয়ে সম্পর্কের স্বীকৃতি দিয়েছেন শোভন। সমাজের চোখ রাঙানিকে উপেক্ষা করেই নিজেদের ভালবাসাকে আপন করে নিয়েছেন তারা।
গতকাল, শুক্রবার ছিল আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস। আর এই বিশেষ দিনে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় ফেসবুকে তাঁর মনের মানুষের জন্য দিলেন বিশেষ বার্তা। বৈশাখী দেবী লেখেন, “একজন আদর্শ নারী এবং পুরুষ একসঙ্গে অটুট জুটি। তাঁরা কখনও একে অপরের হাত ছাড়ে না। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পুরুষকে আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবসের শুভেচ্ছা”।

নিজের নামের পাশে অনেকদিন আগেই শোভনের নাম জুড়ে দিয়েছিলেন বৈশাখী। বিগত বেশ কিছুমাস ধরেই সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে রয়েছেন এই জুটি। দশমীর দিন বৈশাখীর সিঁথিতে শোভন সিঁদুর পরিয়ে দেওয়ার পর বৈশাখী বলেছিলেন যে তাদের সম্পর্কে স্বীকৃতির অভাব কোনওদিনই ছিল না।
তিনি বলেন, “সমাজ এটা দেখছে আমাদের মধ্যে সততার কোনও অভাব নেই। আমরা দুটো প্রাণহীন সম্পর্ককে টেনে না নিয়ে গিয়ে আমরা সেটাকে শেষ করে আমাদের যেখানে আনন্দ, যেখানে শান্তি সেটাকে খুঁজে নিয়েছি। হয়ত এটা দর্শকদের কাছে নতুন অনুভূতি। কিন্তু আমার মনে হয় আমরা স্বাভাবিক জীবন-যাপন করি, আপনারা স্বাভাবিক আঙ্গিকে দেখলে ভালো লাগবে”।
পুজোর আগে কখনও ‘মম চিত্তে’র তালে শোভনবাবুর চারপাশে ঘুরে ঘুরে নাচতে দেখা গিয়েছে বৈশাখীকে। আবার কখনও বা বান্ধবীর জন্য পিয়োনো বাজাতে দেখা গিয়েছে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। ভিক্টোরিয়া থেকে শুরু করে গড়ের মাঠ, প্রিন্সেপ ঘাটে হাতে হাত ধরে খোলাখুলিই রোম্যান্সে মজেছিলেন শোভন-বৈশাখীর জুটি।
এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কম কটাক্ষ করা হয়নি তাদের। কিন্তু সেসব যেন শোভন-বৈশাখীর জীবনকে স্পর্শই করতে পারে নি। তারা নিজেদের মধ্যেই মেতে রয়েছেন। আর এবার আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবসে শোভনকে পৃথিবীর সেরা পুরুষ ঘোষণা করে দিলেন বৈশাখী।





