ভাঙা কাঠপোল দিয়ে যাওয়ার সময় পড়ে গিয়েছিলেন বিডিও। এরপরই প্রশাসনের তরফে উদ্যোগ নিয়ে তৈরি করা হল বিকল্প সেতু। বিপজ্জনক কাঠপোল দেখিয়েই উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন এলাকাবাসীরা। অভিযোগ, সমস্যা নিয়ে কথা বললেই তৃণমূল নেতার হুমকির মুখে পড়তে হয় এলাকাবাসীদের।
কোথায় উঠল এমন অভিযোগ?
ঘটনাটি ঘটেছে সন্দেশখালির ঝুপখালিতে। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, এলাকার কোনও সমস্যা নিয়েই জানাতে পারেন না তারা। সে এবড়ো-খেবড়ো রাস্তা হোক বা ভাঙা কাঠপোল, কোনও কিছু নিয়ে অভিযোগ জানাতে গেলেই তাদের হুমকির মুখে পড়তে হত বলে দাবী বেড়মজুরের ঝুপখালির বাসিন্দাদের। বেড়মজুর ২ নম্বর পঞ্চায়েত নেতা তাদের মুখ খুললেই হাতে টিকিট ধরিয়ে গুজরাত পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দেখাতেন বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসীরা।
বেড়মজুর এলাকার এই কাঠপোলটি বটতলা কাঠপোল নামে পরিচিত। এই কাঠপোল দিয়েই যাতায়াত করেন ঝুপখালির বাসিন্দারা। কিন্তু তাদের অভিযোগ, এই কাঠপোলটি দীর্ঘদিন ধরেই বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। সম্প্রতি প্রশাসনিক কর্তারা গ্রামে এলে এলাকাবাসীরা এই কাঠপোল দেখিয়ে উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
জানা গিয়েছে, এই কাঠপোল পার করতে গিয়েই পড়ে যান সন্দেশখালি ২ ব্লকের বিডিও। সমস্ত অবস্থা খতিয়ে দেখে অবশেষে এই বিপজ্জনক সেতু বাতিল করে বাঁশের সাঁকো তৈরির কাজ শুরু করল প্রশাসন। বিডিও আশ্বাস দিয়েছেন যে আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে বিকল্প এই সেতু তৈরির কাজ শেষ হয়ে যাবে।

স্থানীয়দের কথায়, গত ২০-২৫ বছর ধরে এভাবেই এই সেতু পড়ে ছিল। তাদের কথায়, তারা আন্দোলন করেছেন বলেই তৈরি হচ্ছে এই নতুন সেতু। তারা এও জানান, শুধুমাত্র এই সেতু নয়, রাস্তা, পানীয় জল নিয়েও নানান অভিযোগ রয়েছে তাদের। ঝুপখালির বাসিন্দারা সেব সমস্যা নিয়েও আন্দোলন করবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, “২০-২৫ বছর ধরে এভাবে পড়েছিল ব্রিজ। পোল তৈরিতে হাত লাগিয়েছেন, এমন এক স্থানীয় বাসিন্দার কথায়, “বিডিও সাহেব পোল পার করতে গিয়ে পড়ে যান। এখানে মহিলারা আন্দোলনও করেন। এরপরই বিডিও সাহেব বাঁশ পাঠিয়ে দিয়েছেন। কয়েক দিন অস্থায়ী সেতু থাকবে। এরপর পাকাপাকি সেতু হবে”।





