রামমন্দিরে বাংলার ছোঁয়া! অযোধ্যার রামমন্দিরের প্রবেশদ্বারে দেখা যাবে বাংলার টেরাকোটা শিল্প, থাকবে রামায়ণের কাহিনীর ম্যুরাল

নতুন বছরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হতে চলেছে অযোধ্যার রামমন্দিরের উদ্বোধন। আগামী ২২ জানুয়ারি শুভ উদ্বোধন রয়েছে এই রামমন্দিরের। এর আগে সাতদিন ধরে চলবে নানান ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, ও উৎসব। দেশের নানান শিল্পের সমাহার ঘটবে অযোধ্যার রামমন্দিরে। মন্দিরের প্রবেশপথ সেজে উঠবে বাংলার টেরাকোটা শিল্পে। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

জানা গিয়েছে, অযোধ্যার রামমন্দিরে লাগবে বাংলার ছোঁয়া। কৃষ্ণনগরের শিল্পীর তৈরি ১০০টি ম্যুরাল থাকবে মন্দিরের প্রবেশপথে। তাতে বর্ণিত হবে রামায়ণের ১০০ কাহিনী। অযোধ্যার রামমন্দিরের মূল প্রবেশদ্বার ‘ধরমপথে’র দু’ ধারে সাজানো থাকবে টেরাকোটা শিল্পের এই ম্যুরাল। প্রতিটি ম্যুরালের আকার কুড়ি ফুট বাই দশ ফুট। প্রায় ১০০ টি টেরাকোটার ম্যুরাল থাকবে বলে জানা গিয়েছে।

কৃষ্ণনগরের শিল্পী বিশ্বজিৎ মজুমদার জানান, গত সেপ্টেম্বর মাসে তিনি প্রায় ২৭ জন শিল্পীকে তিনি এই কাজ শুরু করেছেন। রামায়ণের কাহিনি অবলম্বনে ১০০ টি ম্যুরাল তৈরি হচ্ছে। এই মুহূর্তে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চলছে। এখনও পর্যন্ত ৬০ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পী।

রামমন্দিরে বাংলার ছোঁয়া! অযোধ্যার রামমন্দিরের প্রবেশদ্বারে দেখা যাবে বাংলার টেরাকোটা শিল্প, থাকবে রামায়ণের কাহিনীর ম্যুরাল

জানা গিয়েছে, এখন ১৪ জন শিল্পী অযোধ্যার রামমন্দিরের প্রবেশপথে কাজ করছেন। আর বাকি রয়েছেন কৃষ্ণনগরের শিল্পীর ওয়ার্কশপে। বিশ্বজিৎবাবুর কথায়, পায় ১৫ বছর আগে অযোধ্যার একটি সরকারি মিউজিয়ামের জন্য তাঁর শিল্পকলা নেওয়া হয়েছিল। তাঁর সেই কাজ এখনও সেখানে রয়েছে।  

শিল্পী জানান, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ তাঁকে সেখানেই ডেকেছিলেন। সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। এই শিল্পের ব্যাপারে যোগীজি বেশ আগ্রহ প্রকাশ করেন বলে জানান বিশ্বজিৎবাবু। আর এবার রামমন্দিরের ধরমপথে স্থান পেল বাংলার এই শিল্প।  

RELATED Articles