এখনও রাজ্যে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। মৃত্যু এখনও স্তব্ধ হয়নি। করোনার সংক্রমণও চলছে। কিন্তু আশার খবর তা কিছুটা কম। অর্থাৎ দ্বিতীয় ঢেউ কিছুটা হলেও স্রোত হীন হয়েছে। এরইমধ্যে চোখ রাঙাচ্ছে করোনার তৃতীয় ঢেউ।
তা কবে আসবে, কীভাবে আসবে, কতটা ভয়ঙ্কর হবে, কত প্রাণহানি হবে তা কেউ জানে না! কিন্তু সে যে আসবে, তা একপ্রকার নিশ্চিতভাবে জানিয়ে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
আর এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে করোনার তৃতীয় ঢেউকে আটকাতে সম্ভাব্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলাকালীন বাংলায় সর্বোচ্চ দৈনিক সংক্রমণ হয়েছিল ১৪ই মে। ওইদিন বাংলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন ২০ হাজার ৮৪৬ জন। তবে তখনকার থেকে বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা ভালো। দৈনিক সংক্রমণ অনেকটাই কমেছে, সেই সঙ্গে কমেছে মৃত্যুর সংখ্যাও।
আরও পড়ুন- কথায় কথায় ৩৫৬ ধারা জারির হুঁশিয়ারি! বঙ্গে বিপাকে পড়বে না তো বিজেপি? চ্যালেঞ্জ জানাল তৃণমূল
কিন্তু যুক্তরাজ্য, কানাডার মতো দেশগুলিকে দেখে আমরা আন্দাজ করছি অক্টোবর-নভেম্বর নাগাদ করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে ভারতে। সেই অনুযায়ী আমরা আগে থেকে আমাদের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছি।
বিশেষজ্ঞরা অনেকদিন আগেই জানিয়েছেন করোনার তৃতীয় ঢেউতে আক্রান্ত হতে পারেন শিশুরা। তাঁদের কথা মাথায় রেখেই পেডিয়াট্রিকের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে শয্যার সংখ্যা বাড়ান হচ্ছে রাজ্যে। এছাড়া নবজাতকদের জন্যেও শয্যার সংখ্যা বাড়ান হচ্ছে রাজ্য। আপাতাত পেডিয়াট্রিক আইসিইউ শয্যার সংখ্যা ২৫০-৩০০ রাখা হবে। পরবর্তীতে তা ধাপে ধাপে বাড়িয়ে প্রথমে ৫০০ পরে ১০০০ এবং প্রয়োজনে ১৫০০ করার পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্যের।
তৃতীয় ঢেউয়ের অনাগত পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে প্রতিটি জেলায় অন্তত একটি করে পেডিয়াট্রিক ইউনিট চালু করার পরিকল্পনা করেছে রাজ্য। বাইপ্যাপ-এর সুবিধা থাকবে, এরকম ইউনিটের কাছে এই পেডিয়াট্রিক ইউনিট চালু করতে চাইছে রাজ্য।





