আর হাতে গোনা মাত্র কয়েক মাস পরেই বাংলায় বিধানসভা ভোট। বঙ্গ রাজনীতিতে বিশাল পরীক্ষায় বসার আগে এবার বাংলায় শিল্প গড়ার লক্ষ্যে এগোলো বিজেপি। আর বঙ্গে লক্ষ্মীকে বাঁধতে সবচেয়ে ভালো দিন হিসেবে গেরুয়া শিবির বেছে নিল লক্ষ্মীপুজোকেই। ঘোষনা হল কাউন্টার বিজনেস ইন্টারন্যাশনাল সামিটের (counter business international summit)। ভোটের একদম মুখোমুখি আসন্ন শীতের ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতেই হতে পারে এই শিল্প সম্মেলন। কেন্দ্রে যেখানে ক্ষমতায় বিজেপি। সেই অবস্থায় বাংলায় শিল্প সম্মেলনের আয়োজন করা গেরুয়া শিবিরের কাছে খুব একটা কষ্টসাধ্য নয়। মনে করা হচ্ছে ভোটের আগেই লগ্নির প্রতিশ্রুতি আদায় করে তা প্রচারে কাজে লাগাতে চাইছেন বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব (BJP)। আর তাই বিকল্প শিল্প সম্মেলন আয়োজনের মাধ্যমে প্রচারে ঝাঁপাতে মরিয়া গেরুয়া শিবির।
বাংলার মসনদ জেতার স্বপ্নে বিভোর বিজেপি শিবির। একুশে বাংলায় শাসন গড়বে বিজেপি। কনফিডেন্ট হাইকমান্ড। কিন্তু কেবলমাত্র মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বিরোধীতা বা হিন্দুত্ব নিয়ে রাজনীতি করে অন্যান্য রাজ্যের মত বাংলার শাসন যে হাতে আসবে না, বাঙালির মন যে টুকুতেই গলবে না তা ইতিমধ্যেই বুঝিয়েছে পদ্ম শিবির। কারণ হিন্দু-মুসলমান, উঁচু-নিচু, জাতপাতের রাজনীতি দেশের অন্য রাজ্যগুলিতে হলেও বাংলায় আমল পায়না। আর তাই ভোট পেতে মানুষের সামনে বিকল্প তুলে ধরতে কাউন্টার বিজনেস ইন্টারন্যাশনাল সামিটকেই হাতিয়ার করছেন স্বপন দাশগুপ্ত, শিশির বাজোরিয়া, রন্তিদেব সেগুপ্তরা। তুলে ধরা হবে বিজেপি, যুবকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে শিল্পের পক্ষে।
ইজেডসিসি-তে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত বলেছেন, ‘বাংলায় ইতিবাচক রাজনীতিতে আগ্রহী বিজেপি। এখানে যুবকদের কর্মসংস্থান প্রয়োজন।’ তবে রাজ্য সরকারকে এড়িয়ে শিল্পের জমির সংস্থান কীভাবে হবে তা স্বপনবাবু খোলসা করেননি। তাঁর কথায়, ‘জমি দেওয়ার ভাবনা আমাদের (বিজেপি) নেই। পশ্চিমবঙ্গের অজস্র কারখানার বন্ধ, সেই জমিতেই শিল্প হোক। পরিত্যক্ত জমি শিল্পের অবকাশ রয়েছে।’





