সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। এর অনেক আগে থেকেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবী করে এসেছেন যে বিজেপি ভতেরে জন্য টাকা ছড়াচ্ছে। সাধারণ মানুষকে টাকা দিচ্ছে ভোট কেনার জন্য। অর্থবলেই তৃণমূলকে হারাতে চাইছে বিজেপি, একথা বারবার দাবী করে এসেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
এবার সত্যিই দেখা গেল, দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের তুলনায় গেরুয়া শিবির অনেক বেশি বিত্তমান। অন্তত, অ্যাসোসিয়েশন ফোর ডেমোক্র্যাটিক রিফর্মস বা এডিআর-এর রিপোর্ট তাই-ই বলছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশের সবচেয়ে ধনী রাজনৈতিক দল হল ভারতীয় জনতা পার্টি। তৃণমূল তাদের ধারে কাছেও নেই।
আরও পড়ুন- বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে শুধু কেন্দ্রীয় বাহিনী কেন, রাজ্য পুলিশ কেন নয়, দাবী জানিয়ে নির্বাচন কমিশনে তৃণমূল
গতকাল, বৃহস্পতিবার এডিআর ২০১৮-২০১৯ সালে দেশের রাজনৈতিক দলগুলির সম্পত্তির একটি পরিসংখ্যান পেশ করেছে। তাতে দেখা গিয়েছে, ২০১৮-২০১৯ সালের বিজেপির সম্পত্তি পরিমাণ ২৯০৪ কোটি টাকা। এমনকি, দেশের সর্ববৃহৎ বিরোধী দল কংগ্রেসও বিজেপিএ থেকে অনেক পিছিয়ে। ২০১৮-২০১৯ সালে তাদের সম্পত্তির পরিমাণ ৯২৮ কোটি টাকা। বিজেপির তুলনায় অনেক অনেক ‘গরীব’ তৃণমূল। ২০১৮-২০১৯ সালে তাদের সম্পত্তির পরিমাণ ২১০ কোটি টাকা যা বিজেপির সম্পত্তির ১৪ ভাগের ১ ভাগ। তবে এই পরিসংখ্যান তিন বছর আগেকার। কিন্তু অনেকের মতে, এর তিন বছরেও তৃণমূল ও বিজেপির সম্পত্তির ফারাক বেড়েছে, কমেনি।
আরও পড়ুন- চিড়িয়াখানায় সিংহের খাঁচায় ঢুকে পড়ায় সিংহের আঁচড়ে গুরুতর জখম এক ভবঘুরে, ভর্তি হাসপাতালে
রাজনৈতিক দলের একাংশের মতে, রাজনীতি মানেই টাকার খেলা। রাজনীতিতে মানি পাওয়ার বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বিজেপি মানি ও মাসল, দুটো পাওয়ারই রয়েছে। এর জেরেই ধরাশায়ী হয়েছে নানান বিরোধী দল। সামনেই পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। সেখানেও সেই একই ঘটনা ঘটানোর চেষ্টায় থাকবে গেরুয়া শিবির, এমনটাই মনে করা হচ্ছে। তবে এবার অর্থবলে এগিয়ে থাকা বিজেপি সঙ্গে ‘গরীব’ তৃণমূল লড়ে নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে পারে কী না, এখন সেটাই দেখার।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার