আর জি করের ঘটনার জেরে উত্তাল চারিদিকের পরিস্থিতি। চলছে বিক্ষোভ-আন্দোলন। দুর্গাপুজোর মধ্যেও চলছে প্রতিবাদ। জুনিয়র চিকিৎসকরা আমরণ অনশন করছেন। এবার তাদের এই অনশন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন তমলুকের বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
বিজেপি সাংসদ পুজো উপলক্ষ্যে বলেন, “তাল কেটে গিয়েছে। ক্ষত বুকে নিয়ে আমরা ঘুরে বেড়াচ্ছি”। জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মসূচি প্রসঙ্গে সরকারের ভূমিকা নিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “সরকার সেভাবে রেসপন্স করছে না। সরকার চাইছে দু একজনের মৃত্যু। হলে তারপর হয়তো…রাস্তাটা খারাপ একটা বাচ্চা ছেলেকে ধাক্কা মারল..তারপর নজর পড়ল। জুনিয়র ডাক্তারের দাবীটা কোনও দাবীই নয়। আসলে সরকার বিভিন্ন দুর্নীতি একের পর এক ধরা পড়ে যাচ্ছে”।
বিজেপি সাংসদের কথায়, “ডাক্তাররা প্রতিনিয়ত হাসপাতালে থাকেন। তাঁরা চাইছেন এই অব্যবস্থার একটা সুরাহা করতে।তারা অসুবিধাগুলি তুলে এনেছে। সরকার চাইছে না যাতে এই দুর্নীতি সামনে না আসে। সরকার তো দমনপীড়ন চালাচ্ছে। যারা প্যান্ডেলে গিয়ে স্লোগান দিয়েছিল তাদের গ্রেফতার করেছে। আমি তো কোনও যুক্তি খুঁজে পাচ্ছি না।“
প্রসঙ্গত, নিজেদের ১০ দফা দাবী নিয়ে এখনও অনশনে অনড় জুনিয়র চিকিৎসকরা। প্রথমে ৬ জ যোগ দিলেও তারপর যোগ দেন অনিকেত মাহাতো। এরপর যোগ দিয়েছেন আরও ২ জন। কিন্তু অনশনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের শারীরিক অবস্থা একেবারেই ভালো নয়। জুনিয়র চিকিৎসক অনিকেত মাহাতোর সংকটও এখনও কাটে নি।
শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আর জি করের সিসিইউ-তে ভর্তি করা হয়েছিল অনিকেত মাহাতোকে। কিন্তু তাঁর সংকট এখনও কাটে নি, এমনটাই হাসপাতাল সূত্রে খবর। শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল হলেও তা যে কোনও মুহূর্তে খারাপের দিকে যেতে পারে। তিনি সংকটমুক্ত নন বলেই জানিয়েছে হাসপাতাল।
অন্যদিকে, বাকি অনশনকারী চিকিৎসকদের শারীরিক অবস্থাও ভালো নয়। জুনিয়র চিকিৎসকদের রক্তে শর্করার মাত্রা কমছে। মূত্রে মিলেছে কিটোন বডি। রক্তচাপও উঠানামা করছে বলে খবর। ফলে অনশনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের নিয়ে চিন্তা ক্রমেই বাড়ছে। তাদের শারীরিক অবস্থা যেমনই হোক না কেন, তারা নিজেদের দাবীতে অনড়।





