তিনি ভালো অভিনেত্রী হিসাবে পরিচিত, তবে তিনি যে একজন ভালো রাজনীতিবিদও সে কথা সকলেই বিলক্ষণ জানেন। হুগলির সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় এর গুণের শেষ নেই। স্বাধীনতা দিবসের আগেই জাতীয় সংগীত গেয়ে তিনি শোরগোল ফেলেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এবার দেশের ৭৪তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করলেন সিআরপিএফ জওয়ানদের সঙ্গে।
সংসদীয় কাজের সূত্রে বর্তমানে নয়াদিল্লিতে রয়েছেন লকেট। তাই ইচ্ছা থাকলেও হুগলিতে স্বাধীনতা দিবসের কোন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি হুগলির সাংসদ। এই ব্যাপারে একটা খারাপ লাগা তাঁর ভেতরে ছিল। কিন্তু সেই খারাপ লাগা দূর হলো যখন তিনি দিল্লির চাণক্য পুরীতে সিআরপিএফ জওয়ানদের সঙ্গে দিনটি উদযাপন করলেন।
আজ লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পরই তিনি চাণক্যপুরীতে সিআরপিএফের ৫৫ নম্বর ব্যাটেলিয়ানে যান। সেখানেই কর্মরত আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে লকেট উদযাপন করলেন ৭৪তম স্বাধীনতা দিবস।
পতাকা উত্তোলন করার সঙ্গে শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন বিজেপি রাজ্য সম্পাদিকা। এছাড়াও এইদিন লকেট বৃক্ষরোপণ করেন এবং সিআরপিএফ জওয়ানদের সঙ্গে বার্তালাপ করার পর তাঁদের হাতে মিষ্টির প্যাকেট তুলে দেন। স্বাভাবিকভাবেই সুদূর বাংলার একজন নেত্রীর এই মানবিক রূপ দেখে উচ্ছ্বসিত সিআরপিএফ জওয়ানরা।
এই প্রসঙ্গে লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “দেশরক্ষার কাজে সব সময় সামনের সারিতে থাকেন এই সিআরপিএফ সহ বাকি নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। সে বিদেশি জঙ্গিদের আক্রমণই হোক বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়, নিজেদের জীবন বিপন্ন করে সেনারা ঝাঁপিয়ে পড়েন মানুষের পাশে দাঁড়াতে। আজ সেনাদের আত্মবলিদান এর জন্যই কিন্তু আমরা নিরাপদে ঘুমোতে পারি। তাই আজকে স্বাধীনতা দিবসে এই মানুষগুলোর উদ্দেশ্যে আমি সম্মান জানাতে চেয়েছিলাম। আর আমার ইচ্ছা পূরণ হয়েছে বলে আমি অত্যন্ত গর্ব অনুভব করছি।”
বস্তুত লকেট চট্টোপাধ্যায় নিজে এই বছর আরেকটি যুদ্ধে জয়ী হয়েছেন। করোনাকে হারিয়েছেন তিনি। তবে এই রোগ তাঁকে দুর্বল করতে পারেনি। সেরে ওঠার কিছুদিনের মধ্যেই তিনি আবার স্বমহিমায় নিজের কাজে যোগ দিয়েছেন।





“হিরণের বাড়িতে দু’টো বউ, সোহমের কিন্তু একটাই বউ…” দলীয় প্রার্থীর প্রশংসা করে, বিপক্ষ তারকা প্রার্থীকে খোঁচা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের! নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসকদল বনাম বিজেপির সংঘাতে উত্তেজনা তুঙ্গে!