‘ধোঁয়া ধোঁয়া ব্যাপারগুলো বেশি বলতে নেই, তাহলে ওঁর সরকারই বিপদে পড়বে’, রচনাকে নিশানা বিজেপির পাপিয়া অধিকারীর

ইতিমধ্যে সকলেই জানেন রাজনীতির ময়দানে নেমেছেন বাংলার দিদি নাম্বার ১। হুগলির লোকসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rachana Banerjee)। লোকসভা ভোটের আর কিছুদিন মাত্রই বাকি। তাই শুরু হয়ে গেছে প্রচার। রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মানুষদের সাথে মিশে ভোট প্রচারে ব্যস্ত হয়েছেন।‌ হুগলি কেন্দ্র থেকেই রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছেন বিজেপির লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee)। ইন্ডাস্ট্রিতে তারা ছিলেন সহকর্মী। তবে লকেটের রাজনৈতিক ময়দান অনেক বেশি চেনা রচনার থেকে। কিছুদিন আগে প্রচারে বেরিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে বসেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেই মন্তব্যের পর ট্রোলের শিকার হন অভিনেত্রী। এবার এই নিয়ে তাঁকে নিশানা করলেন বিজেপি নেত্রী পাপিয়া অধিকারী (Papiya Adhikari)।  

রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “হুগলির মানুষ খুব লাকি যে আমাকে দেখতে পাবে”। একথা শুনে হাসির বন্যা বইলেও। তিনি এর চেয়ে বড় এক বেফাস মন্তব্য করে বসেছেন। হুগলির শিল্প নিয়ে মন্তব্য করে বিপাকে পড়েছেন অভিনেত্রী। রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন হুগলিতে শিল্পের অভাব নেই গোটা রাস্তা চিমনির ধোঁয়ায় ভরপুর। হুগলির শিল্প প্রসঙ্গে, রচনা বলেছেন, “আমি যখন এলাম দেখলাম অনেক কারখানা হয়েছে। চিমনি থেকে শুধু ধোঁয়াই ধোঁয়া, রাস্তাঘাট অন্ধকার। শুধু ধোঁয়া বেরোচ্ছে। এত কারখানা হয়েছে, তাহলে কী করে বলছেন কারখানা হয়নি, হয়েছে আরও হবে।”

রচনা এই মন্তব্যে তাকে কটাক্ষ করেছেন বড় রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও। নাম না করে বামপন্থী সিলেখা মিত্র জবাব দিয়েছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শুধু লেখেন, “চোখ জ্বালা করছে ধোঁয়াতে। কী ধোঁয়া, কী ধোঁয়া”। এমনকি রচনার এই মন্তব্যে এক সাধারন জনগন বলেছেন, “একটা কথা আপনি শুধু ঠিক বলেছেন চারিদিক অন্ধকার”। অপর একজন লেখন, “দিদি গো ওটা তোমার দিদি নম্বর ১-এর চিমনির ধোঁয়া”। আরেক নেটিজেন ব্যঙ্গ করে লেখেন, “মনে হয়, গাঁ’জা টানছিলো আপনার দলের লোকেরা”।

এবার তৃণমূল প্রার্থীর রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে নিশানা করে খুলেন বিজেপির পাপিয়া অধিকারী (Papiya Adhikari)। তিনি রচনার মন্তব্যকে কটাক্ষ করে বলেন, “রচনা বলেছে ওখানে অনেক ধোঁয়া ধোঁয়া ওখানে অনেক ইটভাটা রয়েছে। ইটভাটা থেকে বোধহয় ধোঁয়া এসেছে। আর বেশি ধোঁয়া ধোঁয়া বললে তো তোমার সরকারের নাম খারাপ। এই ধোঁয়া ধোঁয়া ব্যাপারগুলো বেশি বলতে নেই। তখন তো সরকারের নামে বেশি পলিউশনের কেস পড়বে। এমন কোন কথা বলবে না যাতে আত্মভরিতায় দগ্ধ বলে মনে হবে আর এমন কোন কথা বলোনা যাতে স্নিগ্ধতায় কোনরকম ঘাটতি পরবে। এগুলো বলতে নেই।”

RELATED Articles