লোকসভা নির্বাচন দোরগোড়ায়। তবে এখনও চারটি আসনে প্রার্থী দেওয়া বাকি বিজেপির। বিজেপির দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকায় নাম ছিল দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh)। তবে নিজের গড় যেখান থেকে গত দু’বার সাংসদ হয়েছেন তিনি, সেখান থেকে আর তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি। এবার তিনি লড়ছেন বর্ধমান-দুর্গাপুর থেকে। তবে তাতে কোনও আফসোস নেই তাঁর। তিনি পুরোদমে প্রচার করছেন।
ভোট প্রচারে বিতর্কিত মন্তব্য করে ফের চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে নালিশ করা হয়েছে। শোকজ করা হয়েছে বিজেপি প্রার্থীকে। তবে তাতেও একটুও মনোবল হারান নি তিনি। বরং নিজের কেন্দ্রে এবার বামেদের জমিতে থাবা বসাতে উদ্যত হচ্ছেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।
যে কেন্দ্র থেকে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) লড়ছেন, তা একসময়ের ‘বামদুর্গ’ বলে পরিচিত ছিল। সেই কেন্দ্রে পদ্মফুল ফোটানো বেশ চ্যালেঞ্জের বিষয়ই বটে। তবে দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) দাবী, বাম কর্মীরা নিজের থেকেই তাঁকে বলে গিয়েছেন যে তারা তাঁর সঙ্গেই রয়েছেন। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে ইতিমধ্যতেই বামকর্মীদের দেখা হয়েছে বলে জানা গেল।
দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) কথায়, রাজ্যে একসময় সব আসনেই বামেরা শক্তিশালী ছিল। তবে এখন কোথাও তৃণমূল আবার কোথাও বিজেপি। দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) স্পষ্ট জানান, এর আগে মেদিনীপুরে লড়তেও তিনি কোনও ভয় পান নি। সেটাও তো বামেদের আস্তানাই ছিল বলা যায়। তিনি বলেন, “আমি তো ওখানে জায়ান্ট কিলার ছিলাম। দুজন স্টলওয়ার্টকে হারিয়ে জিতেছিলাম। সিপিএম-কংগ্রেস সব ভোটই তো আমাদের সঙ্গে এসেছিল”।
এবারের নির্বাচনে বামেদের প্রার্থী তালিকায় যেমন নবীন মুখ রয়েছে তেমনই আবার প্রবীণরাও রয়েছেন। তবে কাউকেই ভয় পেতে নারাজ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তাঁর কথায়, “সিপিএমের কিছু ক্যাডার আছে, যারা মন দিয়ে দলের কাজ করছেন। তাঁদের পরের প্রজন্ম বিজেপিতে এসে গিয়েছে। ওদের কর্মীদের ধরে রাখাটাই ওদের কাছে চ্যালেঞ্জ”।
এদিন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) এও জানান, তিনি ঠিক করেছিলেন যে এলাকার বামকর্মীদের ডেকে পাঠাবেন। তবে তাঁর ডাকার আগেই বামকর্মীরা তাঁর কাছে এসেছেন বলে জানান বিজেপি প্রার্থী। বলেন, “ডাকার আগেই হোলির দিন আমার সঙ্গে দেখা করতে চলে এসেছে লাল আবির নিয়ে। ডান-বাম বলে আর কিছু থাকবে না। শুধু বিজেপি থাকবে”।





