আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর ভবানীপুরে উপনির্বাচন। আজ, সোমবার ভোট প্রচারের শেষ দিন ছিল। প্রচারের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের হয়ে ভবানীপুরে প্রচারে গিয়ে হামলার মুখে পড়েন দিলীপ ঘোষ। এই কারণে কমিশনের কাছে এবার ১৪৪ ধারা জারির আবেদন জানাল বিজেপি। দিলীপ ঘোষ আবার এদিকে নির্বাচন স্থগিত রাখার দাবী তুললেন।
প্রচারের শেষবেলায় ভবানীপুরের যদুবাজারে প্রচারে যান বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। কিন্তু অভিযোগ, তখন তাঁর ও বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই হামলার জেরে এক বিজেপি কর্মীর মাথা ফাটে। এই ঘটনার জেরে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয় গোটা এলাকা।
এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়ে নালিশ জানানোর জন্য নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ্ হয় বিজেপি। বিজেপির এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন স্বপন দাশগুপ্ত ও শিশির বাজোরিয়া। কমিশনের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে তারা জানান যে ভোট গ্রহণের দিন যাতে ভবানীপুরের গোটা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি রাখা হয়, এর জন্য কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন তারা।
আরও পড়ুন- ‘এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচন সম্ভব নয়’, হামলার পর নির্বাচন স্থগিত রাখার দাবী তুললেন দিলীপ ঘোষ
তাদের কথায়, “একের পর এক আমাদের নেতা অর্জুন সিং ও দিলীপ ঘোষের ওপর হামলা করা হয়েছে। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এই হামলা করেছে। ভোটের আগে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে তৃণমূল। তারা ভালোমতোই জানে, ভোটদানের হার বেশি হলেই বিজেপি জিতবে। এই কারণে কমিশনের কাছে আমরা গোটা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে ভোটগ্রহণ করানোর দাবী জানিয়েছি। বুথ ও বুথের বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। কলকাতা পুলিশ যেন ধারেকাছে ঘেঁষতে না পারে”।
এদিকে এদিন হামলার পর এক সাংবাদিক বৈঠকে দিলীপ ঘোষ জানান, “ভবানীপুরে ভোট গ্রহণের পরিবেশ নেই। বিরোধীরা প্রচার করতে পারেনি। এই ভোট স্থগিত করা উচিত কমিশনের”।





