বাংলার ভোটে হতাশ জনক ফল করেছে বিজেপি। ভোট পূর্ববর্তী বিজেপির যে তর্জন গর্জন শোনা গিয়েছিল তা কার্যত এখন ঘরের ভেতর ঢুকে পড়েছে। তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় এসে আস্ফালন দেখাচ্ছে তৃণমূল সমর্থকরা। নির্বিচারে হামলা নেমে আসছে বিজেপি সিপিএম-এর উপর। এই পরিস্থিতিতে এবার সুপ্রিমকোর্টের দ্বারস্থ বিজেপি। দলের মুখপাত্র তথা আইনজীবী গৌরব ভাটিয়া এই সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের করেছেন সর্বোচ্চ আদালতে।
পশ্চিমবঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় ইতিমধ্যেই সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন গৌরব ভাটিয়া।
বিজেপির এই আইনজীবীর কথায় ‘আমরা যথেষ্ট প্রমাণ পেয়েছি যার থেকে তৃণমূলের তত্ত্বাবধানে পশ্চিমবঙ্গে চলতে থাকা গণতন্ত্রের এই নৃত্য দেখতে পাচ্ছি।’
আরও পড়ুন- ভোট ফলাফল পরবর্তী হিংসার শিকার বিজেপি কর্মী-সমর্থক, প্রতিবাদে ধর্নায় গেরুয়া শিবির, ফের রাজ্যে নাড্ডা
অভিজিৎ সরকারের লাইভকে তুলে ধরে গৌরব ভাটিয়া বলেন, ‘অভিজিত্ সরকার নিজের মৃত্যুর কয়েক মুহূর্ত আগে ফেসবুক লাইভে এসে জানান কীভাবে তাঁর বাড়ি এবং এনজিও-তে ভাঙচুর চালানো হয়। তৃণমূল কর্মীরা কুকুরদেরও বাঁচতে দেয়নি। এই হামলার জন্য তিনি নির্দিষ্ট ভাবে তৃণমূল কর্মীদের দায়ী করেছিলেন।’
বিজেপির বক্তব্য, ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ১২ জনের মধ্যে ৯ জন বিজেপির কর্মী। প্রায় সব কটি বিধানসভাতেই বিজেপির কর্মীরা আক্রান্ত। অনেক কর্মী ঘরছাড়া।
প্রসঙ্গত রবিবার, তৃণমূল তৃতীয়বারের মতো বাংলার মসনদে বসার পরই গণপিটুনিতে মৃত্যু হয় বিজেপি সমর্থক অভিজিৎ সরকারের।
আরও পড়ুন- দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এই প্রথম ফুটল মুকুল! হঠাৎ কেনও আড়াল খুঁজছেন তিনি?
ইতিমধ্যেই বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার আবেদন জানিয়েছেন বিজেপির প্রদেশ অধ্যক্ষ দিলীপ ঘোষ। রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসার ছবি পর্যবেক্ষণ করতে এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।
এই আবহেই কাল ৫ই মে তৃতীয়বারের জন্য বাংলার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই দিনটিতেই ভোট পরবর্তী হিংসার প্রতিবাদে দেশজুড়ে ধর্নার ডাক দিয়েছে বিজেপি। বিজেপির পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই খবর জানানো হয়েছে।





